

আলী আহসান রবি, ঢাকাঃ সড়ক দুর্ঘটনার আচরণগত ঝুঁকিসমূহ চিহ্নিতকরণ এবং দেশের বিদ্যমান আইন ও বিধিমালার আলোকে করণীয় নির্ধারণে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সদর দপ্তরে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) গ্লোবাল রোড সেফটি পার্টনারশিপ (জিআরএসপি)-এর আর্থিক সহযোগিতায় বেসরকারী গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ’ (সিআইপিআরবি) এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে। জাতীয় পর্যায়ে সড়ক দুর্ঘটনার একক তথ্যভাণ্ডার তৈরি এবং সমন্বিত প্রচেষ্টায় আচরণগত ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যেই এ সভার আয়োজন করা হয়।
ডিএমপি সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ আনিছুর রহমান।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ আনিছুর রহমান সড়ক দুর্ঘটনার সঠিক পরিসংখ্যান সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের সঠিক চিত্র পেতে প্রতিটি নাগরিকের মৃত্যুসনদে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ লিপিবদ্ধ করা আবশ্যক। একইসঙ্গে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের গণমাধ্যমের সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া জোরদার করতে হবে।”
সভায় উপস্থিত বিআইজিআরএস, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং রোড সেফটি কোয়ালিশন বাংলাদেশের প্রতিনিধিবৃন্দ যানবাহনে সিটবেল্ট ও শিশুদের জন্য সুরক্ষিত আসন নিশ্চিত করা, শব্দদূষণ রোধ এবং চালক ও পথচারীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে জোর দেন। বিআইজিআরএস-এর প্রতিনিধি জানান, ট্রাফিক আইন প্রয়োগের দক্ষতা বাড়াতে তারা ইতোমধ্যে ৪০০ জন পুলিশ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান করেছেন।
এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনার তথ্যের তারতম্য কমাতে পুলিশের তথ্যের পাশাপাশি ঢাকার সকল হাসপাতালগুলোর ডেটা অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত গবেষণার প্রস্তাবে সমর্থন জানানো হয়।
উক্ত মতবিনিময় সভায় বিআইজিআরএস-এর ইনিশিয়েটিভ কো-অর্ডিনেটর, ডিএমপির ৮টি ট্রাফিক জোনের ডেপুটি কমিশনারগণ, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং রোড সেফটি কোয়ালিশনের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
আপনার মতামত লিখুন :