• ঢাকা
  • সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৪ অপরাহ্ন

খুলনার ১৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বর্ণাঢ্য আয়োজনে মুখর নগরী


প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ন / ৩৮
খুলনার ১৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, বর্ণাঢ্য আয়োজনে মুখর নগরী

মোঃ রাজিবুল ইসলসম রাজিব, খুলনাঃ প্রখর রোদ আর স্থির বাতাসের মধ্যেও উৎসবের আমেজে মুখর হয়ে ওঠে খুলনা। দাবদাহ উপেক্ষা করে শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ, সংস্কৃতিকর্মী ও রাজনীতিকদের অংশগ্রহণে নগরীতে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। ঢাক-ঢোল ও বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে এই শোভাযাত্রা শহরজুড়ে উৎসবের আবহ তৈরি করে।

খুলনার ১৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের উদ্যোগ নেয় বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। আয়োজক কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, নগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা এবং নগর জামায়াতে ইসলামের আমির অধ্যাপক মো. মাহাফুজুর রহমানসহ অনেকে।

বক্তারা খুলনার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।
ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, ১৮৪২ সালে ভৈরব ও রূপসা নদীবিধৌত নয়াবাদ থানা ও কিসমত খুলনাকে কেন্দ্র করে এখানে নতুন জেলার সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসনামলে প্রশাসনিক গুরুত্ব ও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে খুলনা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এরপর মাত্র ৪০ বছরের ব্যবধানে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা অঞ্চল নিয়ে ১৮৮২ সালের ২৫ এপ্রিল গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে খুলনা জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় জেলার আয়তন ছিল প্রায় ৪ হাজার ৬৩০ বর্গমাইল এবং জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৪৩ হাজার ৫০০।

এর আগে খুলনা ছিল যশোর জেলার একটি মহকুমা। ব্রিটিশ শাসক ডব্লিউ এম ক্লে খুলনা জেলার প্রথম ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

প্রতিষ্ঠার ১৪৪ বছর পূর্তিতে নানা আয়োজনে দিনটি উদযাপন করা হলেও, নগরবাসীর প্রত্যাশা—ঐতিহ্যের পাশাপাশি উন্নয়নেও খুলনা আরও এগিয়ে যাবে।