• ঢাকা
  • বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ন

খুবিতে ইএমবিএ ফান্ডের ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ : সহকারী রেজিস্ট্রার পলাতক


প্রকাশের সময় : মে ১২, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন /
খুবিতে ইএমবিএ ফান্ডের ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ : সহকারী রেজিস্ট্রার পলাতক

মোঃ রাজিবুল ইসলাম রাজিব, খুলনাঃ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়-এর ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে এক্সিকিউটিভ এমবিএ (ইএমবিএ) প্রোগ্রামের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ডিসিপ্লিনের সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসূফ রায়হানের বিরুদ্ধে ডিসিপ্লিন প্রধান ও কোর্স কো-অর্ডিনেটরের স্বাক্ষর জাল করে প্রায় ১৮ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন।

সোমবার (১১ মে) শিক্ষার্থীরা সেমিস্টার রেজিস্ট্রেশনের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে তারা বিভাগীয় শিক্ষকদের অবহিত করলে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়।

ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. মো. নূর আলম অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসূফ রায়হান তার এবং কোর্স কো-অর্ডিনেটরের স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করেছেন। আত্মসাৎ করা অর্থের মধ্যে শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার ফি, পরীক্ষার ফিসহ বিভিন্ন খাতের টাকা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ঘটনা তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতোমধ্যে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, ইএমবিএ প্রোগ্রামের ফি দীর্ঘদিন ধরেই সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসূফ রায়হানের মাধ্যমে জমা দেওয়া হতো। শিক্ষার্থী জাওয়াদ বলেন, “আমরা নিয়মিতভাবেই তার কাছে ফি জমা দিয়েছি। এবার রেজিস্ট্রেশন যাচাই করতে গিয়ে দেখি আমাদের টাকা জমা হয়নি এবং কোর্স সম্পন্নও দেখাচ্ছে না।

আরেক শিক্ষার্থী সৌমেন বলেন, প্রথম সেমিস্টার থেকেই আমরা দাপ্তরিকভাবে তার কাছেই ফি দিয়ে আসছি। তিনি এভাবে টাকা আত্মসাৎ করবেন, তা কখনও ভাবিনি।

এ বিষয়ে কোর্স কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর এস এম জাহিদুর রহমান বলেন, তাদের স্বাক্ষর জাল করে চেকের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকে সহকারী রেজিস্ট্রার ইউসূফ রায়হান কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।