• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

গোপালগঞ্জে পরকিয়ায় বাঁধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রেমিকার স্বামীকে মারপিট : থানায় অভিযোগ


প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২৭, ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন /
গোপালগঞ্জে পরকিয়ায় বাঁধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রেমিকার স্বামীকে মারপিট : থানায় অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জঃ গোপালগঞ্জে পরকিয়ায় বাঁধা দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রেমিকার স্বামীকে মারপিটের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘ দিনের পরকিয়া প্রেমে বাঁধা দেওয়ায় প্রেমিকার স্বামীকে মারপিট করার অভিযোগ উঠেছে কুদ্দুস হোসেন খান (সবুজ) নামের এক পরকিয়া প্রেমিকের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৭নং উরফি ইউনিয়নের মধুপুর গুচ্ছ গ্ৰামে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সৌদি প্রবাসী মিকাইল মোল্লার স্ত্রী (দুই সন্তানের জননী) এর সাথে প্রতিবেশী (দুই সন্তানের জনক) কুদ্দুস খানের দীর্ঘদিন যাবত পরকিয়া প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিলো।

বিষয়টি মিকাইল মোল্লা প্রবাস থেকে জানতে পেরে গত একমাস পূর্বে জরুরি ভিত্তিতে দেশে ফিরে আসেন। এরপর বাড়িতে থেকে গোপনে স্ত্রী’র ওপর নজরদারি শুরু করেন। বিষয়টি টের পেয়ে তারা সতর্ক হয় এবং বেশ কিছুদিন বাধ্য হয়ে বন্ধ থাকে কুদ্দুস খানের পরকিয়া সম্পর্ক ও অনৈতিক কর্মকান্ড।

একপর্যায়ে প্রবাসী মিকাইল মোল্লার সাথে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে স্ত্রীর সাথে ঝগড়া হলে মিকাইল তাকে মারপিট করে।

এই মারপিটের খবর শুনে প্রেমিক কুদ্দুস গোপনে প্রেমিকার বাড়িতে গিয়ে দেখা করে, এ সময় প্রেমিকা সকল অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য পরকিয়া প্রেমিক কুদ্দুস খানকে দায়ী করে স্বামীর ক্ষিপ্ততার বর্ণনা দেন।
এতে মারাত্মক ক্ষিপ্ত হয় কুদ্দুস, পরবর্তীতে গত শুক্রবার (২১আগষ্ট) সকালে পরকিয়া প্রেমিকার স্বামী মিকাইল মোল্লাকে স্থানীয় মধুপুর বাজার এলাকায় ডেকে এনে বেদম মারপিট করে আহত করে কুদ্দুস ও তার লোকজন।

এ ঘটনায় পরে মিকাইলের স্ত্রী বাদী হয়ে পরকিয়া প্রেমিক কুদ্দুস খানের নামে গোপালগঞ্জ সদর থানায় ধর্ষণ চেষ্টা ও মারপিটের অভিযোগ তুলে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক এলাকায় ব্যাপক চঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় জনমনে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তবে অজ্ঞাত কারণে আলোচিত এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ গ্ৰহন করেনি বলে জানা গেছে।

আলোচিত ঘটনার বিষয়ে পরকীয়া প্রেমিক কুদ্দুস খানের নিকট মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদককে বলেন, বিষয়টি ডাঃ কে এম বাবর (এমপি) মহোদয় মিটমাট করে দিবে। তাই এ বিষয়ে আপনাদের লেখালেখি না করলেই ভালো।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ সদর থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত চলছে, তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।