

জিল্লুর রহমান সাগর, মাগুরাঃ মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুজ্জামান লিটনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন পেজে অসত্য ও মনগড়া সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে।
একটি কুচক্রী মহল তাঁকে বিভ্রান্ত করতে এবং হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত করতে এই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি করেছেন ওই কর্মকর্তা।
জানা গেছে, গত রবিবার এক সাংবাদিকের সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও করাকে কেন্দ্র করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডা. আশরাফুজ্জামান লিটনের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।
পরবর্তীতে ওই সাংবাদিক গোপনে ধারণকৃত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে স্থানীয়ভাবে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভিডিওতে স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে অফিস সময়ে হাসপাতালের সরকারি চালক ও ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারের বিষয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা যায়।
এই বিষয়ে ডা. আশরাফুজ্জামান লিটন স্পষ্ট করে বলেন, আমাদের চিকিৎসকদের অফিস সময় সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। অথচ যিনি ভিডিও করেছেন, তিনি নিজেই উল্লেখ করেছেন আমি দুপুর ২টা ৩৫ মিনিটে হাসপাতাল ত্যাগ করছিলাম; যা সম্পূর্ণ অফিস সময়ের বাইরের বিষয়।
গাড়ি ও চালকের বিষয়ে বিভ্রান্তি দূর করে তিনি আরও জানান, গাড়িটি তাঁর ব্যক্তিগত নয় এবং চালকও কোনো সরকারি ড্রাইভার নন। উক্ত চালক একটি প্রকল্পের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন। দুই বছর আগে প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও মানবিক কারণে তাঁর ও তাঁর পরিবারের জীবিকার স্বার্থে তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দাবি করেন, দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকেই শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবার মান আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি নিজে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন এবং স্টাফদের সঠিক সময়ে উপস্থিতি ও সরকারি নিয়ম মেনে কাজ করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন।
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কতিপয় সাংবাদিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন পেজ খুলে দীর্ঘদিন ধরে আমার বিরুদ্ধে এই ধরনের মনগড়া খবর প্রকাশ করে আসছে। সাংবাদিকতা সমাজের দর্পণ, কিন্তু কিছু মানুষ এই মহান পেশাকে কলুষিত করছে।” অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সাধারণ মানুষের সামনে সত্য তুলে ধরতে তিনি স্থানীয় মূলধারার সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জোর অনুরোধ জানান।
আপনার মতামত লিখুন :