• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৩ Jun ২০২৬, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন

ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত


প্রকাশের সময় : জুন ২২, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ন / ২৪
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

এম রোমানিয়া, খুলনা ব্যুরোঃ ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন বাস্তবায়নে বিভাগীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভা সোমবার খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন।

সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রথমেই সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিজ নিজ দপ্তরকে শতভাগ ধূমপানমুক্ত করতে হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রবেশমুখে দৃশ্যমান স্থানে ‘নো স্মোকিং’ পোস্টার স্থাপনের নির্দেশনা দিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নিয়মিত মনিটরিং করা হবে।

তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর, বিশেষ করে বিআরটিএসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলে ধূমপান এবং তামাকজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের আহ্বান জানান।

মো. আবদুল্লাহ হারুন বলেন, ধূমপান ও তামাকবিরোধী প্রচারণায় মসজিদের ইমামরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশু পার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ—এ বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি প্রয়োজন। তিনি প্রতি তিন মাস অন্তর ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করে দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অর্জনের পরামর্শ দেন।

সভায় অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা ই-সিগারেট আমদানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধূমপানবিরোধী প্রচারণা জোরদার, নিউমার্কেট ও সরকারি বিএল কলেজ-সহ বিভিন্ন জনসমাগমস্থল ধূমপানমুক্ত রাখা এবং নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম, খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. শেখ মো. মোশাররফ হোসেন, রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং তামাকবিরোধী জোটের প্রতিনিধিরা।

সভায় ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।