• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৩ Jun ২০২৬, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন

খুলনায় ১৮০ দিনে ৬০ হাজার বৃক্ষরোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন


প্রকাশের সময় : জুন ১৩, ২০২৬, ৯:৩৪ অপরাহ্ন / ৪৬
খুলনায় ১৮০ দিনে ৬০ হাজার বৃক্ষরোপণের কর্মসূচির উদ্বোধন

এম রোমানিয়া, খুলনাঃ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও নগরীকে সবুজায়নের লক্ষ্যে খুলনা মহানগরীতে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে কেসিসি প্রশাসক বলেন, দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা মহানগরীতেও এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, কক্সবাজারের ডুলাহাজরায় জাতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পরপরই খুলনায় এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। কেসিসির উদ্যোগে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে মহানগরজুড়ে ৬০ হাজার গাছের চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, পরিবেশবান্ধব ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিকদেরও এগিয়ে আসতে হবে। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সফল করতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রশাসক শহীদ হাদিস পার্কে একটি গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

কেসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেসিসির সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা নার্গিস আলী, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল ইমরান, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. নাজমুস সা’দাত শুভ, কেএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ খালেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইরুফা সুলতানা, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সরদার শরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সুশীল সমাজের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।