

বিশেষ প্রতিবেদক, খুলনাঃ খুলনার কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকীর বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অস্থায়ী ঘর উচ্ছেদ করার অভিযোগ করেছেন আমাদী হাটের ইজারাদার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
মিজানুর রহমান জানান, হাট পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মচারীদের বসার জন্য বাজার এলাকায় একটি অস্থায়ী ঘর নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দেয়। বিষয়টি তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করলে ইউএনও মৌখিকভাবে সম্মতি দেন। সেই অনুযায়ী বাঁশের বেড়া ও টিনের ছাউনি দিয়ে একটি অস্থায়ী ঘর নির্মাণ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ঈদুল আজহার আগে ইউএনওর কার্যালয়ে দেখা করতে গেলে তার এক সহকারী ৩০ হাজার টাকা ‘ঈদ খরচ’ দাবি করেন। তখন তিনি আর্থিক সংকটের কথা জানিয়ে ১০ হাজার টাকা দিতে রাজি হন। পরবর্তীতে আরও টাকা চাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি। কিন্তু গত ৮ জুন উপজেলা প্রশাসনের লোকজন কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই তার নির্মিত ঘরটি ভেঙে দেয়।
এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রতিকার চেয়ে তিনি খুলনা জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগে ইউএনওর বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্প, ইজারা ও উন্নয়নকাজে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও তোলা হয়েছে।
ইউএনও আব্দুল্লাহ আল বাকী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, একজন মানুষ অভিযোগ দিলেই সেটি সত্য হয়ে যায় না। তাকে ঘরটি সরিয়ে নেওয়ার জন্য একাধিকবার বলা হলেও তা না করায় উচ্ছেদ করা হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :