• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন

দুর্নীতির অভিযোগে খুলনা ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউলকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ৯:৪২ অপরাহ্ন / ১৭
দুর্নীতির অভিযোগে খুলনা ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউলকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

খুলনা ব্যুরোঃ দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধানে খুলনা ওয়াসার নির্বাহী প্রকৌশলী-১ মো. রেজাউল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সময় তাঁর কক্ষে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নথিপত্র পর্যালোচনা করেন দুদকের কর্মকর্তারা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে খুলনা ওয়াসা ভবনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

দুদক ও ওয়াসা সূত্রে জানা গেছে, খুলনা ওয়াসার পানি সরবরাহ প্রকল্প ফেজ-২-এর রুটিন দায়িত্বে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর কর্মকাণ্ডের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক।

অভিযোগ রয়েছে, ২০২৫ সালে অর্থনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পান। এ পদে নিয়োগ পেতে একটি প্রভাবশালী মহলকে প্রায় ৯০ কোটি টাকার খালি চেক দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। পরবর্তী সময়ে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর তাঁকে প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

এদিকে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর খুলনা ওয়াসার গ্রাহকদের ৫ হাজার গৃহসংযোগে পাইপ ও ফিটিংস স্থাপনের কাজের চূড়ান্ত বিল নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে রেজাউল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, একই সংযোগের বিপরীতে দ্বিতীয়বার বিল জমা দেওয়ার বিষয়টি ওই নোটিশের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক তাঁর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করেছে।

এ বিষয়ে দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ ফজল বলেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। অভিযোগসংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলাম বলেন, অভিযোগ গুলো সঠিক নয়। শোকজের উপযুক্ত জবাব দেবেন বলেও জানান তিনি।

দুদকের অনুসন্ধানে অভিযোগ গুলোর সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব অভিযোগকে প্রমাণিত দুর্নীতি হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।