• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন

শার্শা ও বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের যৌথ ব্রিফিং : দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: গুজবে কঠোর ব্যবস্থা, সীমান্তে বাড়তি নজরদারি


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ৯:৩৭ অপরাহ্ন / ১৪
শার্শা ও বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের যৌথ ব্রিফিং : দুর্গাপূজায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা: গুজবে কঠোর ব্যবস্থা, সীমান্তে বাড়তি নজরদারি

আজিজুল ইসলাম, শার্শা, যশোরঃ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসবমুখর, আনন্দঘন ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় উদযাপনের লক্ষ্যে যশোর জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশক্রমে এক বিশেষ যৌথ ব্রিফিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শার্শা থানা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সভায় শার্শা থানা ও বেনাপোল পোর্ট থানায় নিয়োজিত সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

​পূজা চলাকালে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আরিফ হোসেন।

সভায় উপস্থিত অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শামিনুল হক ও বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেনসহ পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।

​সভায় উপস্থিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা বিধান, যানজট নিরসন, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

নিরাপত্তায় পুলিশ প্রশাসনের ৪ বিশেষ পদক্ষেপ: ২৪ ঘণ্টা নজরদারি: পূজামণ্ডপগুলোতে আনসার সদস্য ও পূজা উদযাপন কমিটির স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি টহল পুলিশ এবং সাদাপোশাকের পুলিশ সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। জরুরি সাড়াদান (QRT): যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় থানাগুলোতে বিশেষ কুইক রেসপন্স টিম (QRT) এবং কন্ট্রোল রুম সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সীমান্তে বাড়তি টহল: শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধসহ সার্বিক নিরাপত্তায় সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। সাইবার স্পেসে কড়া নজর: পূজা চলাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো ধরনের গুজব ছড়ানো বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তা কঠোর হস্তে দমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় বক্তারা বলেন, দুর্গাপূজা শুধু একটি সম্প্রদায়ের উৎসব নয়, এটি আমাদের সার্বজনীন সম্প্রীতির প্রতীক। সাধারণ মানুষ যাতে সম্পূর্ণ নির্ভয়ে ও আনন্দঘন পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।

পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় পূজামণ্ডপ উদযাপন কমিটির কর্মকর্তা ও এলাকাবাসীকে সার্বিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। যেকোনো প্রয়োজনে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’-এ যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।