

বিশেষ প্রতিবেদক, ঢাকাঃ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)-এর ঢাকা ট্রাক ডিপো এখন এক বিশাল দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। সরকারি এ লাভজনক সংস্থাকে পরিকল্পিত ভাবে লোকসানি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ডিপোর ইউনিট প্রধান ও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোঃ আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে।
লগবই জালিয়াতি করে সচল গাড়িকে ‘খালি গাড়ি’ বা ‘রিটার্ন ট্রিপ’ দেখানো, নতুন গাড়ির মূল্যবান যন্ত্রাংশ ও টায়ার চুরি, জ্বালানি তেলের ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি এবং সচল গাড়িকে অকেজো ঘোষণা করে স্ক্র্যাপ বাণিজ্যের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগার লুটের বিবরণ দিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) কর্মচারীদের পক্ষ থেকে একটি সুনির্দিষ্ট ও লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। এই গুরুতর অনিয়ম গুলোর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই বিআরটিসির প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে একটি বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ব্যাপক অনুসন্ধানে জানা যায়, বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপোর আওতাধীন সরকারি ভারী ট্রাকগুলো দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সরকারি সার, খাদ্যশস্য বা খাদ্য অধিদপ্তরের জরুরি মালামাল পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত থাকে। নিয়ম অনুযায়ী, গন্তব্যে মালামাল আনলোড করার পর ফেরার পথে স্থানীয় বেসরকারি ও বাণিজ্যিক অংশীজনদের মালামাল অর্থের বিনিময়ে ঢাকায় পরিবহন করার কথা, যা বিআরটিসির অন্যতম আয়ের উৎস। কিন্তু ডিজিএম মোঃ আশরাফুল আলমের প্রত্যক্ষ নির্দেশে তৈরি হয়েছে একটি সমান্তরাল হিসাব ব্যবস্থা।
ট্রাকগুলো ফেরার পথে বেসরকারি মালামাল বহন করে বিপুল অর্থ ভাড়া নিলেও দাপ্তরিক লগবই এবং চালকদের দাপ্তরিক ফাইলে ওই ট্রিপ গুলোকে ‘খালি ট্রাক’ (রিটার্ন ট্রিপ) হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। বাণিজ্যিক এই ট্রিপগুলো থেকে অর্জিত দৈনিক লাখ লাখ টাকার ভাড়া সরাসরি সরকারি তহবিলের পরিবর্তে জমা হচ্ছে ডিজিএম এবং তাঁর অনুগত নির্দিষ্ট কর্মকর্তাদের পকেটে।
ডিপোর সাধারণ চালক ও কর্মচারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এই ‘রিটার্ন ট্রিপ’ চুরির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কর্পোরেশনটিকে পরিকল্পিত ভাবে বিশাল রাজস্ব ঘাটতির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতির পরিধি কেবল ভুয়া ট্রিপেই সীমাবদ্ধ নেই। ডিপোর ভেতরে সরকারি সম্পদ রক্ষণাবেক্ষণের নামে চলছে হরিলুট।
অতি সম্প্রতি বিআরটিসির বহরে যুক্ত হওয়া নতুন ও সচল ট্রাকগুলোর পার্টস চুরির একটি বড় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন এ ডিপো প্রধান।
অভিযোগ রয়েছে, নতুন গাড়ি গুলোর মূল কারখানাজাত দামী স্পেয়ার পার্টস, উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাটারি এবং সম্পূর্ণ নতুন উন্নতমানের টায়ার গুলো মাঝরাতে কৌশলে খুলে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে সেগুলোর স্থলে পুরোনো, ক্ষয়ে যাওয়া ও প্রায় অকেজো স্থানীয় বাজারের নিম্নমানের যন্ত্রাংশ ও টায়ার সংযোজন করে গাড়িগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রাস্তায় নামানো হচ্ছে। খুলে নেওয়া নতুন ও আসল পার্টসগুলো তেজগাঁও এবং ধোলাইখালের খোলা বাজারে ও চিহ্নিত স্ক্র্যাপ ব্যবসায়ীদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে কেনা নতুন সরকারি ট্রাক গুলো কয়েক মাসের মধ্যেই অকেজো হয়ে পড়ছে।
জ্বালানি খাতকেও এই চক্রটি তাদের অবৈধ আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস বানিয়ে নিয়েছে। সরকারি বরাদ্দের তেল ও লুব্রিকেন্ট (মবিল) উত্তোলনে চলছে ব্যাপক নয়ছয়। চালকদের কাগজে-কলমে যে রুটের রুট পারমিট ও কিলোমিটার হিসাব দেখানো হয়, বাস্তবে গাড়ি গুলো তার চেয়ে অনেক কম দূরত্ব অতিক্রম করে। এই অতিরিক্ত দূরত্বের ভুয়া কিলোমিটার হিসাব দেখিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার লিটার ডিজেল অতিরিক্ত পেপার ওয়ার্কের মাধ্যমে উত্তোলন করা হচ্ছে। এই ভুয়া জ্বালানি বিল গুলো ডিজিএম মোঃ আশরাফুল আলমের চূড়ান্ত স্বাক্ষরে অনুমোদিত হয়ে ক্যাশ শাখা থেকে ছাড় করানো হয় এবং উত্তোলিত বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপোর ঠিকাদার ও বাইরের কালোবাজারে রাতের অন্ধকারে বিক্রি করে দেওয়া হয়।
সাধারণ কর্মচারীদের একাংশ এই চুরির প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁদের চাকরিচ্যুতি বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে শাস্তিমূলক বদলির হুমকি দেওয়া হয় বলে দুদকে দাখিলকৃত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
আরও একটি ভয়ংকর অভিযোগ উঠেছে সচল গাড়িকে ‘স্ক্র্যাপ’ বা ভাঙারি হিসেবে তালিকাভুক্ত করার বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে। ডিপোর গ্যারেজে সামান্য মেরামত করলেই পুরোপুরি সচল করা সম্ভব—এমন অন্তত ডজনখানেক ভারী ট্রাককে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে ‘মেরামতের অযোগ্য’ ঘোষণা করে বছরের পর বছর ফেলে রাখা হয়েছে।
বিআরটিসির ভেতরের সূত্র গুলো নিশ্চিত করেছে, গাড়ি গুলোকে ইচ্ছাকৃত ভাবে অবহেলায় ফেলে রেখে জরাজীর্ণ রূপ দেওয়া হয়, যেন পরবর্তীতে এ গুলোকে নামমাত্র মূল্যে নিলামে স্ক্র্যাপ হিসেবে বিক্রি করা যায়। এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য হলো নির্দিষ্ট কিছু সিন্ডিকেট ঠিকাদারের সঙ্গে যোগসাজশ করে মোটা অঙ্কের কমিশন হাতিয়ে নেওয়া।
এ অভিযোগ গুলো নতুন নয়। ২০১৯ সালেই সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের বিআরটিসি শাখা থেকে একাধিক প্রশাসনিক নোটিশ জারি করা হয়েছিল মোঃ আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে।
১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখের এক স্মারকে (নং-৩৫.০০.০০০০.০১৩.১৬.০০১.১৭-২৭৪) সহকারী সচিব মোঃ দেলোয়ার হোসেন বিআরটিসির চেয়ারম্যানকে লিখেছিলেন, বিআরটিসির শ্রমিক কর্মচারীর পক্ষে মোঃ নজরুল ইসলাম গং-এর ২৩ আগস্ট ২০১৯ তারিখের আবেদনে বর্ণিত অভিযোগের তদন্তক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিবেদন সাত কার্যদিবসের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা পাওয়া যায়নি। পরে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য পুনরায় নির্দেশ দেওয়া হয়।
একই সময়ের আরেকটি অভিযোগ পত্রে বিস্তারিত ভাবে উল্লেখ করা হয় যে, আশরাফুল আলম গাজীপুরে ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মন্ত্রণালয় কর্তৃক সুইডেন থেকে আমদানিকৃত ভলভো বাস মেরামত বাবদ টাকা থেকে প্রায় ৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন, যার বিষয়ে দুদক মামলা দায়ের করেছিল এবং তিনি আসামি হিসেবে অভিযুক্ত হয়েছিলেন।
ইন্সপেক্টর পদ থেকে ম্যানেজার হয়ে বিভিন্ন ডিপোতে কর্মরত থাকাকালে দুর্নীতি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হন আশরাফুল আলম।
তিনি মতিঝিল বাস ডিপো ও আন্তর্জাতিক বাস ডিপো থেকে প্রতি মাসে ৩০-৩৫ লাখ টাকা আয় করে থাকেন বলে অভিযোগ ছিল।
প্রতি ডিপোর ম্যানেজারদের কাছ থেকে প্রতিমাসে ৫-১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উৎকোচ গ্রহণ, ব্যক্তিগত ভাবে মনোরঞ্জন কামরা বা যৌন কাজ চরিতার্থ করার জন্য বিভিন্ন মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক, চেয়ারম্যানকে খুশি করতে বিভিন্ন ম্যানেজারকে বদলি করা, একাধিক ডিপোর নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখা, অফিসে মদ্যপান এবং বিআরটিসির টাকা দিয়ে গাজীপুরে বিলাসবহুল ফ্ল্যাটসহ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও ওই সময়ের নোটিশে উঠে এসেছিলো।
৩ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখের আরেকটি স্মারকে (নং-৩৫.০১৬.০৪.০০০০.০৫০.২০১৮-৫৫৩) আইন অধিশাখা থেকেও একই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুনরায় নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিআরটিসির বর্তমান চেয়ারম্যান, আব্দুল লতিফ মোল্লা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিসিকে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। ঢাকা ট্রাক ডিপোর ডিজিএম মোঃ আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ গুলো অত্যন্ত গুরুতর। আমরা ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্তাধীন বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যদি তদন্তে আর্থিক অনিয়ম বা রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরির প্রমাণ মেলে, তবে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ফৌজদারি আইনে মামলা দায়েরের জন্য দুদককে পূর্ণ সহযোগিতা করা হবে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিআরটিসির ডিপো গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের পদ্ধতিগত দুর্নীতি বা ‘সিস্টেমিক করাপশন’ চলে আসছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ডিপো প্রধানের সম্মতি বা অংশীদারিত্ব ছাড়া কোনো ভাবেই রাষ্ট্রীয় গাড়ির পার্টস বদলানো কিংবা ভুয়া ট্রিপ দেখিয়ে জ্বালানি চুরি করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, কর্মচারীরা যখন দুদকের কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে যান, তখন বুঝতে হবে দুর্নীতি কতটা চরম আকার ধারণ করেছে। আমরা দাবি জানাব, দুর্নীতি দমন কমিশন যেন কোনো রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে এই সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনে। অন্যথায় রাষ্ট্রীয় এই প্রতিষ্ঠানগুলো পুরোপুরি দেউলিয়া হয়ে যাবে।
যোগাযোগ ও পরিবহন বিশেষজ্ঞ এবং বুয়েটের অধ্যাপক ড. মোঃ শামসুল হক বলেন, সরকারি পরিবহন খাতের মূল সমস্যা হলো দুর্বল তদারকি এবং জবাবদিহিতার অভাব। ঢাকা ট্রাক ডিপোর মতো কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যখন একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পার্টস চুরি ও রাজস্ব আত্মসাতের মতো অভিযোগ ওঠে এবং তার প্রেক্ষিতে বিভাগীয় তদন্ত চলে, তখন সাময়িক ভাবে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা উচিত। কারণ পদে বহাল থাকলে তিনি তথ্য প্রমাণ বা লগবই নষ্ট করার সুযোগ পাবেন।
তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল ট্র্যাকিং ও জিপিএস সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে এই ধরনের ট্রিপ চুরি ও জ্বালানি অপচয় শতভাগ বন্ধ করা সম্ভব। কিন্তু দুর্নীতিবাজ চক্র নিজেদের স্বার্থেই প্রযুক্তি বাস্তবায়নে বাধা দেয়।
অভিযোগের তীর যার দিকে, সেই বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপোর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আশরাফুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।
তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, একটি নির্দিষ্ট চক্র ডিপোর শৃঙ্খলা নষ্ট করতে আমার বিরুদ্ধে ভুয়া তথ্য ছড়াচ্ছে। আমি নিয়ম মেনেই ডিপো পরিচালনা করছি। চলমান বিভাগীয় তদন্তে আমি সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হবো।
অপরদিকে বিআরটিসি ঢাকা ট্রাক ডিপোর সাধারণ কর্মচারীদের পক্ষে দুদকের কাছে প্রতিকার চাওয়া মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, আমরা সৎ ভাবে কাজ করতে চাই। কিন্তু ডিজিএম স্যারের সিন্ডিকেটের কারণে ডিপোর সাধারণ চালক ও কর্মচারীদের ন্যায্য ট্রিপ বোনাস ও ওভার টাইমের টাকা কেটে রাখা হচ্ছে। অথচ ভুয়া ভাউচারের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা লোপাট হচ্ছে। আমরা নিরুপায় হয়ে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ তদন্ত সংস্থার দ্বারস্থ হয়েছি।
তিনি আরও বলেন, ২০১৯ সালের সেই প্রশাসনিক নোটিশ গুলো এবং বর্তমান অভিযোগের মিল দেখে স্পষ্ট যে, মোঃ আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় কেনা রাষ্ট্রীয় সম্পদ এভাবে গুটিকয়েক কর্মকর্তার পকেটস্থ করার এই মহোৎসব বন্ধে এখন দুর্নীতি দমন কমিশনের কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপের অপেক্ষায় আছেন ডিপোর কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাধারণ জনগণ।
(চলবে)
আপনার মতামত লিখুন :