• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন

শ্রীপুরে ব্যতিক্রমী মানবিক কর্মকাণ্ডে নজর কেড়েছেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার নাজমুল ইসলাম


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৭, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ন / ১৯
শ্রীপুরে ব্যতিক্রমী মানবিক কর্মকাণ্ডে নজর কেড়েছেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার নাজমুল ইসলাম

জিল্লুর রহমান সাগর, মাগুরঃ মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাজমুল ইসলাম তাঁর সততা, ন্যায়নিষ্ঠা এবং অসাধারণ ও ব্যতিক্রমী মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলাবাসীর ব্যাপক ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিয়ে চলেছেন তিনি।

​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি তাঁর নেতৃত্বে কৃত্রিম সংকট রোধে অবৈধভাবে মজুদকৃত সারের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শ্রীপুরে ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনে তাঁর নান্দনিক ও সুপরিকল্পিত উদ্যোগ সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

​বিশেষ করে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি নিরসনে তাঁর মাঠপর্যায়ের সরাসরি উপস্থিতি সর্বমহলে বেশ সমাদৃত হয়েছে। সম্প্রতি রাস্তায় মসুরি কলাই ছড়িয়ে রাখার ফলে যানবাহন ও পথচারীদের যাতায়াতে চরম সমস্যা তৈরি হলে, তিনি নিজে সশরীরে উপস্থিত থেকে রাস্তা পরিষ্কার করিয়ে যাতায়াত উপযোগী করার ব্যবস্থা নেন।

​কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়া সরাসরি সাধারণ এবং হতদরিদ্র মানুষের কথা শুনে তাৎক্ষণিক সমাধান দেওয়া ও সাহায্য-সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া এবং শতভাগ ন্যায়নিষ্ঠার সাথে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের কারণে স্থানীয়দের কাছে তিনি এক অনন্য ‘মানবিক কর্মকর্তা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

​এদিকে তাঁর এসব কর্মদক্ষতা ও কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ইতিমধ্যেই বরগুনা জেলায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এডিসি) হিসেবে তাঁর পদোন্নতির আদেশ হয়েছে। জানা গেছে, চূড়ান্ত জয়েনিং আদেশ আসলেই তিনি নতুন কর্মস্থলে যোগদান করবেন।

​উপজেলা নির্বাহি অফিসার নাজমুল ইসলামের এই বদলির খবরে শ্রীপুর উপজেলাবাসীর মনে তৈরি হয়েছে গভীর আবেগ। শ্রীপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ বলেন, “তাঁর মতো এমন ন্যায়নিষ্ঠ ও সৎ অফিসার শ্রীপুরবাসীর জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল। ভবিষ্যতে শ্রীপুরবাসী এমন মানবিক ইউএনও আর পাবেন কি না সন্দেহ।”

​স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান, একজন সৎ ও দূরদর্শী সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সব সময় অসহায় মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তাঁর এই নিষ্ঠাবান ও সুশাসনভিত্তিক প্রশাসনিক ভূমিকার কারণে এলাকায় অনিয়ম হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের আস্থা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছিল।