• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:২২ পূর্বাহ্ন

ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ৮:০১ অপরাহ্ন / ৪৭
ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন

আলী আহসান রবি, ঢাকাঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত মহামান্য জঁ-মার্ক সেরে-শার্লে আজ সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনাব হুমাইউন কবিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। রাষ্ট্রদূত প্রতিমন্ত্রীকে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, গণতান্ত্রিক রূপান্তর এবং প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণে সমর্থনসহ দেশটির সঙ্গে ফ্রান্সের অব্যাহত সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন। তিনি পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্র, বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, বিমান চলাচল, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে আরও সম্পৃক্ততার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহের ওপর জোর দেন। তাঁরা আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অগ্রাধিকার এবং প্রত্যাশা নিয়েও মতবিনিময় করেন। উভয় পক্ষ জলবায়ু পরিবর্তন এবং বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততাসহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করে এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে বৃহত্তর ফরাসি বিনিয়োগকে উৎসাহিত করেছেন এবং অবকাঠামো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, মহাকাশ, প্রযুক্তি ও ওষুধশিল্পসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর আলোকপাত করেছেন। তিনি বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের মধ্যে বৈধ ও নিয়মিত শ্রম চলাচলের বৃহত্তর সুযোগ সৃষ্টির গুরুত্বের ওপরও জোর দেন। এ প্রসঙ্গে তিনি অনিয়মিত অভিবাসন ও মানব পাচারের প্রতি বাংলাদেশের শূন্য-সহনশীলতা নীতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় ফ্রান্সের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য বাংলাদেশের প্রস্তুতির কথা জানান।

রাষ্ট্রদূত সেরে-শার্লে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে ফ্রান্সের প্রস্তুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি গণতান্ত্রিক সংস্কারের জন্য সরকারের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ব্যাপারে ফ্রান্সের আগ্রহ প্রকাশ করেন। প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে আশ্রয়প্রাপ্ত ১৩ লাখ রোহিঙ্গার জন্য ফ্রান্সের অব্যাহত মানবিক সহায়তার প্রশংসা করেন। উভয় পক্ষ তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের জন্য একসাথে কাজ করার প্রস্তুতির কথাও জানায়।

একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বৈঠকটি সমাপ্ত হয় এবং উভয় পক্ষই এই আস্থা প্রকাশ করে যে, অব্যাহত সম্পৃক্ততা ও বর্ধিত সহযোগিতা বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্ককে আরও গতিশীল করবে।