• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন

শার্শায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলার অভিযোগ: নির্দোষ ব্যক্তিকে জড়ানোর দাবি


প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ন / ১২
শার্শায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মিথ্যা মামলার অভিযোগ: নির্দোষ ব্যক্তিকে জড়ানোর দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, শার্শা, যশোরঃ যশোরের শার্শা থানায় দায়েরকৃত একটি মারপিট ও চাঁদাবাজির মামলা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। মামলার এজাহারে বর্ণিত ঘটনার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগ উঠেছে, বিজিবি কর্তৃক রুপা আটকের একটি পুরনো ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে জনৈক আব্দুর রশিদসহ কয়েকজনকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।

​সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার মূল সূত্রপাত আতিকুর নামক এক ব্যক্তিকে বিজিবির সোর্স সন্দেহে রুপা আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ওই ঘটনায় টাকা আদায়ের একটি বিষয় নিয়ে আতিকুর ও মুকুলের সাথে শরিফুলের বিরোধ তৈরি হয়। এরই জের ধরে রুদ্রপুর বাজারে শরিফুলকে মারধর ও টাকা ফেরত চাওয়ার ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানান।

​গত ২০/০৪/২০২৩ তারিখে শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে শার্শা থানায় যে এজাহারটি জমা দিয়েছেন, তার মালা নম্বর৩০ সেখানে দেখা গেছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা হয়েছে:

এজাহারে রুপা আটক বা টাকা আদায়ের কোনো বিষয় উল্লেখ করা হয়নি। বরং ঘটনাটিকে নিছক ব্যবসায়িক লেনদেন ও চাঁদাবাজির রূপ দেয়া হয়েছে।

মামলার ৩নং আসামি আব্দুর রশিদের স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, ঘটনার সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি ওই ঝামেলার সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। অথচ তাকে প্রধান ইন্ধনদাতা হিসেবে এজাহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতেই শরিফুল ইসলাম এই মিথ্যা ও বানোয়াট গল্প সাজিয়েছেন।

​এজাহারে দেখা যায়, বাদী শরিফুল তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে হাতুড়ি ও বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার দাবি করেছেন। তবে স্থানীয়রা বলছেন, ঘটনার বিবরণের সাথে বাস্তবতার মিল সামান্য। ভিত্তিহীন মামলায় আব্দুর রশিদের মতো একজন ব্যক্তিকে জড়ানোয় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

​ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, তদন্তকারী কর্মকর্তা যেন নিরপেক্ষভাবে সরজমিনে তদন্ত করেন। সিসিটিভি ফুটেজ বা নিরপেক্ষ সাক্ষীদের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে নির্দোষ ব্যক্তিদের যেন হয়রানি না করা হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।