• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন

মাগুরার শ্রীপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন : র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত


প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ন /
মাগুরার শ্রীপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন : র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জিল্লুর রহমান সাগর, মাগুরাঃ ‘পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় সাত দিনব্যাপী জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ শুরু হয়েছে।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বর থেকে র‍্যালি বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হল রুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো: আশরাফুজ্জামন লিটন এর সভাপতিত্বের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: নাজমুল ইসলাম।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো: হাসিবুর রহমান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এনামুল হক, জুনিয়র কনসালটেন্ট (মেডিসিন) ডা. জুলি চৌধুরী, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. নাজমুল সাকিব এবং উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা গৌরাঙ্গ চন্দ্র।

অন্যান্যদের মধ্যে শ্রীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নাসিরুল ইসলাম, শ্রীপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, দারিযাপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম মওলা, গয়েশপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হাসিনা বেগম, শ্রীপুর ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ইমাম সমিতির সভাপতি মো: আক্তারুজ্জামান, চৌগাছি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: আবুল কালাম আজাদ এবং নার্সিং সুপারভাইজার সন্ধ্যা রানী সাহাসহ উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ সভায় অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, একটি জাতির ভবিষ্যৎ গড়তে হলে পুষ্টির কোনো বিকল্প নেই। শিশু, কিশোর-কিশোরী, গর্ভবতী মা ও দুগ্ধদানকারী নারীদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। পুষ্টিহীনতা সমাজের একটি বড় চ্যালেঞ্জ, যা মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের আয়োজনে ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের বাস্তবায়নে এই কর্মসূচি আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনে চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন।