• ঢাকা
  • রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন

গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ


প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১৯, ২০২৬, ৭:৫৪ অপরাহ্ন /
গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জঃ গত ১৭ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি: তারিখে সুনাম-ধন্য চ্যানেল টোয়েন্টিফোরে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে “বিশ্ববিদ্যালয়: গুরু মন্ত্রের অন্তরালে”শিরোনামে একটি সংবাদ প্রচারিত হয়।

এহেন সংবাদে সমগ্র জাতির কাছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে যা আমাদের অত্যন্ত মর্মাহত করেছে। বিশেষ করে ভাইস চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ও ভাইস চ্যান্সেলরের পিএসকে ঘিরে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুশাসন, স্বচ্ছতা ও মর্যাদাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

জুলাই বিপ্লবের পরে ধারণা করা হয়েছিল যে, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর সততা ও নিষ্ঠার সাথে পরিচালনা করে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একাডেমিক ও গবেষণায় উন্নতি করবেন। কিন্তু বাস্তবতা হল নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ, মাস্টার রোলে কর্মচারী নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ, ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ, ঠিকাদারদের থেকে অর্থ সহ বিভিন্ন অন্যায় সুবিধা গ্রহণের অভিযোগ, এফসি বা ইউজিসির অনুমোদন ব্যতীত বিভিন্ন ভাতা গ্রহণের অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে ভীষণ ভাবে বিব্রত করেছে। এই সব অভিযোগের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণাদিও বিভিন্ন সূত্রে দৃষ্টিগোচর হয়েছে যা অকাট্য।

জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম (সাদা দল), গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মনে করে, একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞানচর্চার স্থান নয়; এটি নৈতিকতা, ন্যায়বিচার ও আদর্শের প্রতীক। সেখানে যদি নিয়োগ প্রক্রিয়া সহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠে, তবে তা শুধু প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ণ করে না, বরং যোগ্য প্রার্থীদের অধিকারও হরণ করে।

এই ঘটনায় জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম (সাদা দল), গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে।