বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আওয়ামী লীগের বহিষ্কাকৃত নেতা ও ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস ও মহিলা কাউন্সিলর নাসরিন আহমেদ এ-র আপত্তিকর চিত্র ফাঁস ১১ সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা বিভাগ সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে ‘হাওড় উৎসব’ অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে টুটুল চৌধুরীকে পুনরায় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় ইউনিয়নবাসী সংসদ সদস্য মনুর এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সর্বস্তরের জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন  ডিইউজে’র সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুর রহমান জিহাদের পিতা মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী সরদারের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল এমপি মনুর হাতে মারধরের শিকার ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক ও স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবার পাওয়া গেল দেড় কোটির দুই অ্যাপার্টমেন্ট ভিখারির! পাক বিমান বাহিনীর জন্য চায়নার তৈরীকৃত ড্রোন এখন দু:স্বপ্ন

সুন্দরবন থেকে ২৭৬ টি বাঘ উধাও

আয়েশা সিদ্দিকী
  • Update Time : শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১
  • ১০৬ Time View

আয়েশা সিদ্দিকীঃ সুন্দরবনে ২৭৬ টি বাঘের কোনো হদিস নেই। কাগজ-কলমের হিসাব এ কথাই বলছে। ২৯ জুলাই বিশ্ব বাঘ দিবস। দিবসটি উপলক্ষে তথ্য অনুসন্ধানে গিয়ে জানা গেছে, ২০০৪ সালে বন বিভাগ পায়ের ছাপ গুণে বাঘের সংখ্যা নির্ধারণ করেছিল ৪৪০টি। বর্তমানে বাঘ রয়েছে ১১৪ টি। ২০০১ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১৭ বছরে সুন্দরবনে নানা কারণে ৫০ টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। বাকী ২৭৬ টি বাঘের কোনো খোঁজ মেলেনি। কোথায় গেলো এতো বাঘ ?

স্থানীয় প্রবীণরা বলছেন, সীমান্ত অতিক্রম করে অনেক বাঘ পার্শ্ববর্তী দেশের সুন্দরবন অংশে চলে গেছে। বনবিভাগ বাঘ মৃত্যুর যে তালিকা দিয়েছে তা সঠিক নয়, বাস্তবে বাঘ মৃত্যুর সংখ্যা আরো বেশী। আবার এমনও হতে পারে, বিগত কয়েকটি জরিপ সঠিক ছিল না।

বনবিভাগের পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৭৫ সালের জরিপে সুন্দরবনে বাঘ ছিলো ৩৫০টি। এরপর ১৯৮২ সালে জরিপে ৪২৫টি ও এর দুই বছর পর ১৯৮৪ সালে সুন্দরবন দক্ষিণ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের ১১০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় জরিপ চালিয়ে ৪৩০ থেকে ৪৫০টি বাঘ থাকার কথা জানানো হয়। ১৯৯২ সালে ৩৫৯টি বাঘ থাকার তথ্য জানায় বন বিভাগ। পরের বছর ১৯৯৩ সালে সুন্দরবনের ৩৫০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় প্যাগমার্ক পদ্ধতিতে জরিপ চালিয়ে ৩৬২টি বাঘ গণনা করা হয়। ১৯৯৬-৯৭ সালের জরিপে বাঘের সংখ্যা উল্লেখ করা হয় ৩৫০টি থেকে ৪০০টি। ওই সময়ে বাঘের পায়ের ছাপ পদ্ধতিতে গণনা করা হয়। ২০০৪ সালে বন বিভাগ পায়ের ছাপ গুণে বাঘের সংখ্যা নির্ধারণ করেছিল ৪৪০টি। ২০১৫ সালের জরিপে সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে বাঘের সংখ্যা আশংকাজনক হারে কমে দাড়ায় ১০৬ টিতে। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সুন্দরবনে পরিচালিত সর্বশেষ জরিপে জানা গেছে বাঘ রয়েছে ১১৪ টি।

বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৫০টি বাঘের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে স্বাভাবিক ভাবে মারা গেছে মাত্র ১০টি। ১৪টি বাঘ পিটিয়ে মেরেছে স্থানীয় জনতা, একটি নিহত হয়েছে ২০০৭ সালের সুপার সাইক্লোন সিডরে ও বাকী ২৫ বাঘ হত্যা করেছে চোরা শিকারীরা।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল খান জানিয়েছেন, আগে পায়ের ছাপের ভিত্তিতে যখন সংখ্যা গণনা করা হয়েছিল, তখন বাঘের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক ছিল: কিন্তু এখন ‘ক্যামেরা সার্ভে’-র মাধ্যমে বাঘের সংখ্যা নির্ণয় করা হয়েছে। এটা নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি। সার্ভে অনুযায়ী এটা অন্তত নিশ্চিত করে বলা যায় যে, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা কমছে।

সুন্দরবন পশ্চিম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) ড.আবু নাসের মোহসীন হোসেন বলেন, সর্বশেষ জরিপ বলছে সুন্দরবনে আবারও বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুন্দরবনকে বন্যপ্রাণীদের জন্য সম্পূর্ণ নিরাপদ করতে কাজ করছে বন বিভাগ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 ajkerbd24.com
Design & Development By: Atozithost
Tuhin