• ঢাকা
  • শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন

লোকসানের শঙ্কা নিয়েও আগাম আলু চাষে মাঠে কৃষক


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ২৩, ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ন / ১৪
লোকসানের শঙ্কা নিয়েও আগাম আলু চাষে মাঠে কৃষক

নিজস্ব প্রতিবেদক, দিনাজপুরঃ দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় লোকসানের শঙ্কা নিয়েও আগাম আলু চাষে মাঠে নেমেছেন কৃষকেরা। বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় অনেকে আগে ভাগেই জমি প্রস্তুত করে আলু রোপণ শুরু করেছেন।

তবে বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তাঁরা। এর পাশাপাশি আবহাওয়া অনুকূলে থাকা এবং মৌসুমের শুরুতে বাজারদর ভালো পাওয়ার প্রত্যাশাও রয়েছে কৃষকদের মধ্যে।

নবাবগঞ্জ উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় এক হাজার পাচশত হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগাম জাতের আলু আবাদের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৩৫০ হেক্টর। এই আগাম আবাদ থেকে মোট ১৮ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ

পদুমহার গ্রামের কৃষক ওবায়দুল ইসলাম জানান, আগাম আলু চাষে খরচ অনেক। বীজ, সার, কীটনাশক ও জমি তৈরিতে প্রচুর টাকা লাগে। শুরুতে দাম ভালো পেলে লাভ হবে, কিন্তু বাজারদর কমে গেলে লোকসান গুনতে হবে। তারপরও লাভের আশায় আলু চাষ করছি।

নলেয়া গ্রামের কৃষক আমজাদ হোসেন বলেন, আগাম আলু বাজারে তুলতে পারলে ভালো দাম পাওয়ার আশা থাকে। তবে আবহাওয়া ও বাজারের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। চাষের খরচ দিন দিন বাড়ছে। তাই আলুর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা গেলে কৃষকেরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম ইলিয়াস জানান, নবাবগঞ্জ উপজেলায় প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও আগাম আলুর চাষ শুরু হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫০ হেক্টর জমিতে আগাম জাতের আলু রোপন সম্পন্ন হয়েছে। আগাম আলু ৬০-৬৫ দিনেই উত্তোলন করে বাজারজাত করা যায়। ফলে কৃষকরা ভালো দাম পেয়ে থাকেন। উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে সার্বক্ষনিক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। ভালো ফলনের ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।