• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন

এবার সরকারি খালে কালভার্ট নির্মাণে তদন্তের দাবি


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ৪, ২০২৬, ২:২৭ পূর্বাহ্ন / ৩৪
এবার সরকারি খালে কালভার্ট নির্মাণে তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালীঃ নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার পশ্চিম সোশালিয়া এলাকায় সরকারি খালের ওপর নির্মাণাধীন একটি কালভার্টকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, নির্মাণ কাজের কারণে খালের পানি প্রবাহ সংকুচিত হলে বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম সোশালিয়া মৌলভী কাইতে বাড়ির সামনে সরকারি খালের ওপর কালভার্ট টি নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, কালভার্ট নির্মাণের ফলে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ আগের তুলনায় সংকুচিত হয়েছে। এতে ভারী বৃষ্টির সময় আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, আদম আলী চুকানীর নাতি ইউছুপ সরকারি চাকরি করেন। তাঁর আর্থিক ও সামাজিক প্রভাবের কারণে স্থানীয়দের আপত্তি উপেক্ষা করে অন্যের জায়গা দখল করে কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে বলেও তাঁরা দাবি করেন।

তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা তাৎক্ষণিক ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

কালভার্টের পশ্চিম পাশে জমি নিয়ে বিরোধের কথা বলা কয়েকজন জমির মালিকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁদের অনেকে বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছেন। তাঁদের অনুপস্থিতির সুযোগে কোন প্রকার অনুমতি ছাড়া কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে বলে তাঁরা দাবি করেন।

তবে এ বিষয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তাঁরা।

অভিযোগের বিষয়ে আদম আলী চুকানীর নাতি ইউছুপের পরিবারের এক সদস্যের সঙ্গে কথা বলা হয়। কালভার্টের পশ্চিম পাশে জহির গংদের জায়গা কেনা হয়েছে কি না এবং এ-সংক্রান্ত দলিল বা বৈধ কাগজপত্র রয়েছে কি না এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি।

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখতে বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কালভার্ট নির্মাণের ফলে সরকারি খাল, ব্যক্তি মালিকানাধীন জমি কিংবা পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থায় কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।