• ঢাকা
  • শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন

রেলের ডিজি আফজাল ও তার পিএস এর হাতে আলাদিনের চেরাগ : শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক পিএস নাসির একাই


প্রকাশের সময় : সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ১১:৪১ অপরাহ্ন / ২৯
রেলের ডিজি আফজাল ও তার পিএস এর হাতে আলাদিনের চেরাগ : শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক পিএস নাসির একাই

বিশেষ প্রতিবেদক, ঢাকাঃ বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) আফজাল হোসেনের বিরুদ্ধে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য, অনিয়ম ও অর্থপাচারের অভিযোগ এনে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত আবেদন দিয়েছেন রেলওয়ের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী রমজান আলী।

সম্প্রতি জমা দেওয়া ওই অভিযোগপত্রে আফজাল হোসেনকে দুর্নীতির সিন্ডিকেটের প্রধান, ঘুষখোর এবং সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের পোষ্যপুত্র বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই অভিযোগপত্রে বলা হয়, পদ্মা সেতু রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প এবং খুলনা-মোংলা রেললাইন প্রকল্পে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আফজাল হোসেন ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম করেছেন। একই সঙ্গে রেলওয়ের শীর্ষ পদে নিয়োগ পেতেও তিনি ঘুষ দিয়েছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়।

রমজান আলী অভিযোগ করেন, রেলওয়েকে একটি দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত করা হয়েছে। যেখানে ঠিকাদার, আমলা ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী চক্র কাজ করেছে।

পদ্মা সেতু রেল প্রকল্পে সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার অনিয়মঃ ওই অভিযোগপত্রে সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে পদ্মা সেতু রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প ঘিরে। সাবেক প্রধান প্রকৌশলীর দাবি, প্রকল্পের মূল চুক্তিপত্রের বিভিন্ন কাজ বাতিল করে সম্পূরক চুক্তির মাধ্যমে ব্যয় অস্বাভাবিক ভাবে বাড়ানো হয়। এতে সরকারের হাজার হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, রেললাইনের এমব্যাংকমেন্ট নির্মাণে নির্ধারিত পাথরের পরিবর্তে কম খরচের ইটের খোয়া ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়। অভিযোগে আরো বলা হয়, এতে ঠিকাদারদের শত শত কোটি টাকার আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয় এবং বিনিময়ে মোটা অঙ্কের ঘুষ নেওয়া হয়।

রমজান আলীর দাবি, ওই প্রকল্পে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার অডিট আপত্তিও রয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঠিকাদারদের কাছ থেকে নেওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার করা হয়েছে এবং এর একটি অংশ অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানো হয়েছে, যেখানে আফজাল হোসেনের সন্তানরা বসবাস করেন।

খুলনা-মোংলা রেললাইন প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগঃ খুলনা-মোংলা পোর্ট রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে নিয়মিত ঘুষ গ্রহণের বিনিময়ে নিম্নমানের কাজ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। রূপসা সেতু প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধির মাধ্যমেও অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

১০ কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে ডিজি পদঃ রমজান আলীর অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, রেলওয়ের মহাপরিচালক পদে নিয়োগ পেতে আফজাল হোসেন প্রায় ১০ কোটি টাকা ঘুষ দিয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, মেধা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অন্য কর্মকর্তারা এগিয়ে থাকলেও প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে আফজাল হোসেন গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো পেয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়, দুদকের ছাড়পত্র ছাড়াই তাকে মহাপরিচালক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়, যা সরকারি বিধিবিধানের পরিপন্থী।

দুর্নীতির সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগঃ অভিযোগপত্রে রেলওয়ের অভ্যন্তরে একটি প্রভাবশালী দুর্নীতির চক্রের কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

রমজান আলীর ভাষ্য, গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, টেন্ডার ও সরবরাহ কাজ নির্দিষ্ট ঠিকাদারদের দেওয়া হতো এবং বিনিময়ে কমিশন আদায় করা হতো।

তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন প্রকল্পে ঠিকাদারদের কাছ থেকে চুক্তিমূল্যের ১০ শতাংশ পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও নিম্নমানের কাজ করে পুরো বিল তুলে নেওয়ারও অভিযোগ আনা হয়েছে।

রাজনৈতিক পরিচয় বদলের অভিযোগঃ অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, পতিত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আফজাল হোসেন সরকার পরিবর্তনের পর দ্রুত রাজনৈতিক অবস্থান বদলে বিএনপিপন্থী পরিচয়ে সক্রিয় হন।

রমজান আলীর অভিযোগ, ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নিজের অবস্থান বদলে প্রভাব ধরে রাখার চেষ্টা করেছেন আফজাল হোসেন।

তদন্ত ও সম্পদ জব্দের দাবিঃ দুদকের কাছে দেওয়া আবেদনে আফজাল হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের অনুসন্ধান, ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠনের আহ্বান জানিয়ে অভিযোগকারী বলেন, রেলওয়েকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা জরুরি।

এ সকল অভিযোগের বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে বা আফজাল হোসেনের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগপত্রে উত্থাপিত দাবিগুলোর বিষয়ে স্বাধীন তদন্ত ও প্রমাণ উপস্থাপনই চূড়ান্ত ভাবে বিষয়টির সত্যতা নির্ধারণ করবে।

অপরদিকে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালকের (ডিজি) আফজাল হোসেনের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মো. নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, প্রভাব খাটানো, রেলের জমি লিজ-উচ্ছেদে অনিয়ম, সম্পদ অর্জন, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ব্যক্তিগত জীবন সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নের হলুদিয়া কৈয়াপাড়ার মৃত নবাব আলী ও ফাতেমা বেগম দম্পতির কনিষ্ঠ সন্তান নাসির উদ্দিন। মধুপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ২০০৩ সালে এইচএসসি পাস করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা এবং ছোটবেলা থেকে মেধাবী হিসেবে পরিচিত এই কর্মকর্তা ৩৩তম বিসিএসের মাধ্যমে ২০১৪ সালে বাংলাদেশ রেলওয়েতে যোগদান করেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, ডিজির পিএস হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে নাসির উদ্দিন সংশ্লিষ্ট ডিজিকে এসএমএস করে নিজেকে এই পদে নিয়োগ দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। ওই এসএমএসের একটি কপি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাঁর নিয়োগ প্রক্রিয়া বিধিসম্মত ছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে সংশ্লিষ্ট অফিস আদেশ ও প্রশাসনিক নথি পর্যালোচনা প্রয়োজন।

লেবার সর্দার নিয়োগ বিতর্কঃ ২০২২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে কর্মকর্তা (ডিটিএ) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে লেবার সর্দার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি খুলনার সিঙ্গিয়া স্টেশনের গুডস ইয়ার্ডে মোদাচ্ছের আলীকে অস্থায়ী লেবার সর্দার হিসেবে নিয়োগ দিতে তিনি সিঙ্গিয়া স্টেশন মাস্টারকে নির্দেশ দেন। যদিও এই নিয়োগের এখতিয়ার সাধারণত সংশ্লিষ্ট স্টেশন মাস্টারের বলে রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান।

১৬ ফেব্রুয়ারি স্টেশন মাস্টার মো. শরীফুজ্জামান ওই নিয়োগ দেন, তবে নিয়োগপত্রে মেয়াদ উল্লেখ ছিল না বলে অভিযোগ।

রেলওয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার দাবি, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এই নিয়োগের ব্যবস্থা হয়েছিল। যশোর ও সিঙ্গিয়া স্টেশনেও একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল বলে জানা যায়, যদিও চূড়ান্ত তদন্ত ফলাফল স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন ও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল বলেও জানা গেছে।

সহকারী স্টেশন মাস্টার নিয়োগ বিতর্কঃ ২০১৬ সালের জুলাইয়ে সহকারী স্টেশন মাস্টার পদে ২৫৭ জনের নিয়োগ ঘিরে অনিয়মের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানের কথা উল্লেখ রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, নিয়োগ তালিকা প্রকাশের আগে নম্বরের টেবুলেশন শিট প্রস্তুত করা হয়নি এবং কোটা ব্যবস্থার অপব্যবহার হয়েছে। এক চাকরিপ্রার্থীর দাবি, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও চাহিদামতো ১০ লাখ টাকা দিতে না পারায় তাঁর নিয়োগ হয়নি।

রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকে গত বছরের ১ মে মন্ত্রী, পিএস বা তাঁদের আত্মীয়ের রেফারেন্সে অবৈধ সুযোগ না দেওয়ার নির্দেশনা জারি হয়।

রেলপথ মন্ত্রীর একান্ত সচিব মোহাম্মদ আতিকুর এ প্রসঙ্গে জানান, তাঁর রেফারেন্সে এক বন্ধুর টিকিট সংগ্রহের ঘটনা জানার পর তিনি সংশ্লিষ্ট স্টেশন মাস্টারকে এ ধরনের রেফারেন্স প্রত্যাখ্যানের নির্দেশ দেন এবং যোগাযোগকারী নম্বরগুলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে পাঠিয়ে পরিচয় শনাক্তের ব্যবস্থা নেন।

অভিযোগকারীদের দাবি, নাসির উদ্দিনের গ্রামের বাড়িতে ব্যয়বহুল ডুপ্লেক্স ভবন, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নিজ নামে বা বেনামে জমি-প্লট এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর নামে একটি রেস্টুরেন্ট থাকার তথ্য রয়েছে। এসব সম্পদের উৎস ও বৈধ আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য যাচাইয়ে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধান দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। রেলের এক কর্মচারী অতীতে এ বিষয়ে দুদকে অভিযোগ করেছিলেন বলেও দাবি রয়েছে, তবে সেটির বর্তমান অবস্থা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সাল থেকে নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাইদা পারভীনের পরিচয় হয় এবং ১৭ মে ২০২৩ তাঁদের বিয়ে হয়, যা ১ জুন ২০২৩ রেজিস্ট্রি করা হয়।

সাইদা পারভীনের অভিযোগঃ বিয়ের আগে নাসির উদ্দিন তাঁর পূর্ববর্তী বৈবাহিক জীবনের তথ্য গোপন করেন এবং বিয়ের পর জানা যায় এটি তাঁর তৃতীয় বিয়ে। এরপর ৩০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয়, যা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মানসিক নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ ওঠে।

২৫ মে ২০২৩ থেকে ফোন, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ, চরিত্রহনন ও হুমকির অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া তাঁর প্রথম স্ত্রী তানিয়ার সঙ্গে দাম্পত্য কলহ ও বিচ্ছেদ নিয়ে মামলা হয়েছিল বলে জানা যায়, যা নিষ্পত্তিতে বিপুল অর্থ ব্যয় হয়েছে বলে অভিযোগ।

একাধিক বিয়ে ও কয়েকজন নারীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও, প্রামাণ্য নথি বা সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ছাড়া এসব অভিযোগ সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা সমীচীন নয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, নাসির উদ্দিনের পরিবার দীর্ঘদিন আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল এবং রাজনৈতিক প্রভাবেই তিনি সুবিধাজনক পদায়ন পেয়েছেন। রেলের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে তাঁর একই জেলার বাসিন্দা হিসেবে দীর্ঘদিনের পরিচয় ও রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠতার অভিযোগও উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, রেলের বর্তমান ডিজি আফজাল হোসেনের অবৈধ অর্থ সংগ্রহে ক্যাশিয়ার হিসেবে কাজ করা এবং বড় কাজ গুলো নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটকে পাইয়ে দেওয়াসহ একাধিক অনিয়মে নাসির উদ্দিন জড়িত।

প্রতিবেদকের দাবি অনুযায়ী, ডিজি ও পিএস উভয়ের বিরুদ্ধে নারী সংক্রান্ত কেলেঙ্কারির তথ্য প্রমাণ তাঁদের কাছে রয়েছে, যা যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে প্রকাশিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

অভিযোগকারী সাইদা পারভীনসহ সংশ্লিষ্টরা নিম্নলিখিত দাবি জানিয়েছেনঃ একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ তদন্তকালীন সময়ে অভিযোগকারী ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে জানতে নাসির উদ্দিনের ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭১১৬-৩৩ নম্বরে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোন রেস্পন্স করেননি ।

বিশেষ করে লেবার সর্দার ও সহকারী স্টেশন মাস্টার নিয়োগ, রেলের জমি লিজ-উচ্ছেদ, পিএস পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া এবং সম্পদ অর্জনের বিষয়গুলো প্রশাসনিক নথি পর্যালোচনার মাধ্যমে খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।