• ঢাকা
  • শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন

বাগেরহাটে শাখারিকাঠী শহীদ মিনার : ১৯৭১-এর গণহত্যার নীরব সাক্ষী


প্রকাশের সময় : অগাস্ট ২৩, ২০২৫, ৯:৩৮ অপরাহ্ন / ১০৭৬
বাগেরহাটে শাখারিকাঠী শহীদ মিনার : ১৯৭১-এর গণহত্যার নীরব সাক্ষী

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাটঃ বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার বাধাল ইউনিয়নের শাখারিকাঠী বাজার ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের এক করুণ ইতিহাস বহন করছে আজও।

১৯৭১ সালের ৩ মে পাক সেনারা স্থানীয় হাট থেকে ধরে নিয়ে যায় নিরীহ মানুষদের। নির্যাতনের পর গুলি করে হত্যা করা হয় অনেক বাঙালিকে। তাৎক্ষণিক ২৮ জনের লাশ পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে আশপাশে আরও ১৪ জনের লাশ পাওয়া যায়। সর্বমোট ৪২ জনের নাম প্রকাশিত হয়।

হত্যার পর শহীদদের লাশ ফেলে রেখে যায় সেনারা। পরে রামচন্দ্রপুর বধ্যভূমিতে দ্রুত মাটিচাপা দেওয়া হয়। যা পরিণত হয় এক গণকবরে। স্বাধীনতার পর দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকলেও, পরবর্তীতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে সরকারি সহযোগিতায় নির্মিত হয় শহীদ মিনার ও স্মৃতিফলক।

এলাকাবাসীর দাবি শুধু শাখারিকাঠী নয়, পাশের রামচন্দ্রপুর বধ্যভূমিতেও একটি পূর্ণাঙ্গ স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হোক। শাখারিকাঠী শহীদ মিনার মুক্তির ইতিহাসের অমূল্য সাক্ষ্য।

এই শহীদ মিনার শুধু একটি স্থাপনা নয় এটি কচুয়া ও বাগেরহাটের মুক্তির ইতিহাসের অমূল্য স্মৃতিচিহ্ন।