• ঢাকা
  • রবিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন

রাজধানীতে গণপরিবহন সংকটের মধ্যেও যানজট : গুলিস্তানে চাঁদাবাজির জন্য যানজট!


প্রকাশের সময় : অগাস্ট ১৩, ২০২১, ৪:৪২ পূর্বাহ্ন / ২২৮
রাজধানীতে গণপরিবহন সংকটের মধ্যেও যানজট : গুলিস্তানে চাঁদাবাজির জন্য যানজট!

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর গুলিস্তানের নবাবপুর রোডের মুখে (হানিফ ফ্লাইওভারে ওঠা নামার পথে) বাসে চাঁদাবাজির জন্য তৈরি হচ্ছে যানজট। এমনই অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। অপরদিকে নবাবপুর রোডের মুখ থেকে গুলিস্তান আন্ডারপাস মার্কেট এলাকায় জটলা লেগে থাকা সিএনজি অটোরিকশা, মোটরসাইকেলের (ভাড়ায়চালিত) কাছ থেকেও আদায় করা হয়ে থাকে চাঁদা। সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল জটলা উঠিয়ে দেওয়া ও চাঁদাবাজি বন্ধ করা হলে এ এলাকা অনেকাংশে যানজটমুক্ত রাখা যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই যানজটের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গুলিস্তান-নবাবপুর রোডের কাছাকাছি অংশে রয়েছে হানিফ ফ্লাইওভারের টোলঘর। এখান থেকে প্রতিদিন চলাচল করে নারায়ণগঞ্জ, দাউদকান্দি, কাঁচপুর, আদমজী, মেঘনা ও শনির আখরা রুটের কয়েক শ গাড়ি। কিন্তু হানিফ ফ্লাইওভারে ওঠার মুখেই বিশেষ করে লোকাল গাড়ি থামিয়ে পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের নামে আদায় করা হয় চাঁদা। এর ফলে তৈরি হয় যানজটের। অপরদিকে নবাবপুর রোড থেকে আন্ডারপাস মার্কেট পর্যন্ত এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকে সিএনজি অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল। অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল দাঁড়ানো বন্ধ করা হলে গোটা এলাকা যানজটমুক্ত হতো।

এ ব্যাপারে ঢাকা জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজিঃ নম্বর- ৪৯৪) সভাপতি নাসির উদ্দিন হাওলাদার বলেন, ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল থেকে কিছু গাড়ি চলাচল করে। এরশাদ মার্কেটের পেছনে নির্মাণ কাজ চলছে। ফলে মাওয়ার গাড়িগুলো গুলিস্তান হয়ে ঘুরে আসছে। এ জন্যই যানজট হচ্ছে। এজন্য প্রশাসনের সঙ্গে বসা হয়েছে। তবে এখানে কোনো ধরনের চাঁদাবাজির সিস্টেম নেই।

টানা ১৯ দিন বন্ধ থাকার পর শিথিল করা হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। ফলে বুধবার থেকে রাজধানীতে চালু হয়েছে গণপরিবহন। তবে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্ধেকসংখ্যক গণপরিবহন চলাচল করছে।

একদিকে সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলা রাখা, অন্যদিকে অর্ধেক গণপরিবহন চলাচল করায় গণপরিবহন সংকট দেখা দিয়েছে। আবার এ সংকটের মধ্যেও রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে গতকাল সকাল থেকেই যানজট দেখা যায়।

এদিকে আগামী ১৯ আগস্ট থেকে রাস্তায় শতভাগ গণপরিবহন চলাচল করার অনুমতি দিয়েছে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সড়ক, রেল ও নৌপথে সব ধরনের গণপরিবহন চলাচল করতে পারবে।