• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ১২:১৩ অপরাহ্ন

যশোরের শার্শার জামতলায় মাটিবাহী ট্রাক্টরের চাপায় গৃহবধূ নিহত : আহত-৩


প্রকাশের সময় : মে ৫, ২০২৪, ৭:৪১ অপরাহ্ন / ১৭
যশোরের শার্শার জামতলায় মাটিবাহী ট্রাক্টরের চাপায় গৃহবধূ নিহত : আহত-৩

আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ  রিতা রাণীর আর বাবার বাড়ি যাওয়া হলো না। ঘাতক মাটিবাহী ট্রাক্টর তার প্রান কেড়ে নিলো। শার্শার জামতলায় মবিল ফ্যাক্টরির সামনে মাটিবাহী ট্রাক্টর চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী রিতা রাণী (২১) নামে এক গৃহবধু নিহত হয়েছে। এ সময় নিহতের স্বামী মিলন গোলদার ও তাদের শিশু কন্যা প্রিয়া (২) সহ মোট ৩ জন আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে বাগআঁচড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার দুপুর ১ টার দিকে নাভারণ সাতক্ষীরা সড়কের জামতলা মবিল ফ্যাক্টরির সামনে এ দূর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রিতা রাণী সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের গড়কুমারপুর গ্রামের মিলন গোলদারের স্ত্রী এবং শার্শার গোড়পাড়া পোতাপুর গ্রামের কিনা মন্ডলের মেয়ে। তারা সকলে মিলে রিতা রাণীর বাবার বাড়ি যাচ্ছিলো।

আহতরা হলো, নিহত রিতা রাণীর স্বামী মিলন গোলদার (৩০) ও তাদের শিশু কন্যা এবং শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের গড়কুমারপুর গ্রামের রুহুল কুদ্দুছ সানার ছেলে মোটরসাইকেল চালক আসমাতুল্লা (৩৫)।

আহত মিলন গোলদার জানান, শ্যামনগর থেকে মোটরসাইকেল যোগে তার শশুরবাড়ি শার্শার গোড়পাড়ায় যাওয়ার পথে বাগআঁচড়া জামতলা মবিল ফ্যাক্টোরির সামনে পৌছালে মাটিবাহী একটি ট্রাক্টর তাদের চাপা দিলে তারা সকলেই ট্রাক্টরের চাকার নিচে পড়ে এ সময় মিলনের স্ত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এ সময় স্থানীয় পথচারীরা মিলন গোলদার ও তার ছোট মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

প্রতাক্ষদর্শীরা জানান,মোটরসাইকেল আরোহী তিনজন নাভারণের দিকে যাচ্ছিলো হঠ্যাৎ মাটিবাহী একটি ট্রাক্টর তাদের চাপা দিলে তারা সকলে আহত হয়। পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার সময় একজন মারা যায় এবং অন্যদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ তুলেছেন বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর সামনে দিয়ে প্রতিনিয়ত দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই মাটিবাহী গাড়ী। পুলিশ প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান ধরে থাকে। এই মাটিবাহী গাড়ী গুলো প্রতিনিয়ত মানুষের জীবন কেঁড়ে নিচ্ছে তার পরও কোন টনক নড়ছে না প্রশাসনের। নাভারণ হাইওয়ের পুলিশ প্রতিনিয়ত রোডে চেকপোষ্ট বসিয়ে মোটরসাইকেল ধরে মামলা দিলেও তদের সামনে দিয়ে এই মাটিবাহী ট্রাক্টর গুলো দাপিয়ে বেড়ালেও এই গাড়ির বিরুদ্ধে তারা কোন পদক্ষেপ নেয় না। দিনের বেলা এই মরণঘাতী মাটিবাহী ট্রাক্টর চলাচল বন্ধ করতে এলাকাবাসী প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।

নাভারণ হাইওয়ে থানার সাব ইন্সপেক্টর মফিজুল ইসলাম জানান,সাংবাদিকদের মাধ্যমে ঘটনাটি ওসি স্যার জানার সাথে সাথে আমাকে সহ একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠালে আমরা এসে লাশ উদ্ধার করি এবং কোন মাটিবাহী ট্রাক্টর এর সাথে এ সংঘর্ষ হয়েছে সেটি খুজে বের করার চেষ্টা করছি। এ ব্যাপারে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।