• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:০২ অপরাহ্ন

মুরাদের পদত্যাগের খবরে এলাকায় মিষ্টি বিতরন


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ৭, ২০২১, ১২:২৯ অপরাহ্ন / ১৮৬
মুরাদের পদত্যাগের খবরে এলাকায় মিষ্টি বিতরন

জামালপুর প্রতিনিধি : নারীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের কারণে মন্ত্রিসভা থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজকেই তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিবেন বলে জানা গেছে। এদিকে ডা. মুরাদের পদত্যাগের খবরে তার নির্বাচনী এলাকা জামালপুর-৪ সরিষাবাড়ীতে আনন্দ মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসময় তারা একে অপরকে মিষ্টি খাইয়ে আনন্দ উদযাপন করেন।

সোমবার রাতে তারাকান্দি শহীদ মিনার চত্বরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা আনন্দ মিছিল বের করেন। এ সময় তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। সরিষাবাড়ীর কয়েকটি স্থানে স্থানীয় লোকজন পটকা ফুটিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন। ওই এলাকার জনগণ সোমবার রাত থেকেই মোড়ে মোড়ে দোকানপাটে লোকজন ভিড় করছেন টিভির সংবাদ দেখতে। সম্প্রতি ডা. মুরাদ হাসান একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে।

গত ২রা ডিসেম্বর সোশাল মিডিয়ায় এক সাক্ষাৎকারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে বর্ণবিদ্বেষী এবং নারীর প্রতি অবমাননাকর বক্তব্য করেন ডা. মুরাদ। এরপর চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির সঙ্গে মুরাদের অশ্লীল কথোপকথন সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।

একই সময় সোশ্যাল মিডিয়াতে আসা আরেকটি ভিডিওতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া ও শামসুন্নাহার হলের ছাত্রলীগ নেত্রীদের নিয়েও অবমাননাকর কথা বলতে দেখা যায় মুরাদকে । এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা ঝড় উঠে। চারদিকে সমালোচনা মুখে সোমবার রাতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানকে মঙ্গলবারের মধ্যে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মুরাদ হাসান জামালপুর-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য। তিনি নবম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালের মন্ত্রিসভায় তিনি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। এরপর ১৯শে মে ২০১৯ তারিখ থেকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এবং বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) এর আজীবন সদস্য।