• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে মানববন্ধন


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৩, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ন / ০
বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে মানববন্ধন

এ জেড আমিনুজ্জামান রিপন, গোপালগঞ্জঃ মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষার দাবিতে গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রস্তাবিত আহ্বায়ক শেখ বোরহান উদ্দিনের নেতৃত্বে সর্বস্তরের বীর মুক্তিযোদ্ধারা অংশগ্রহণ করেন এ প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধনে।

পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১১টায় গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কাউন্সিলের প্রস্তাবিত আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ বোরহান উদ্দিন এর সভাপতিত্বে এ মানববন্ধনে জেলার সকল বীর মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেন।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গত ২৯ অক্টোবর সারা দেশের সব জেলা ইউনিটের আহ্বায়কদের প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গোপালগঞ্জে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচিতে গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রস্তাবিত আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ বোরহান উদ্দিন বলেন, পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর জানাজা ও দাফন কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। এমনকি দাফনের জন্য খনন করা কবর ভরাট করে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার শেষ বিদায়ের সময় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন শুধু একজন ব্যক্তিকে অসম্মান করা নয়, বরং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের প্রতিও অবমাননা।

তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কোনো মুক্তিযোদ্ধা কিংবা তাঁর পরিবারের সদস্য যেন রাজনৈতিক পরিচয় বা মতপার্থক্যের কারণে হামলা, হয়রানি, হুমকি কিংবা সামাজিকভাবে অপদস্থ হওয়ার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি তাঁদের পরিবারকে আতঙ্কিত করতে বিভিন্ন স্থানে হামলা, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে এবং যেকোনো অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে বক্তারা পিরোজপুরের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দেশের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ৭১ স্বাধীনতা যুদ্ধ পরবর্তী দেশ বিরোধী রাজাকার, আলবদর বাহীনির পরাজিত শক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে করে আসছে, আজ তারা সোচ্ছার। ৭১- এর ইতিহাস মুছে দেওয়ার জন্য তার মেতে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার ইতিহাস এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে কোনোভাবেই অবজ্ঞা করার সুযোগ নেই। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান সমুন্নত রাখা এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধা দেওয়ার অভিযোগের প্রতিবাদে গোপালগঞ্জে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) সকাল ১১টায় গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কাউন্সিলের প্রস্তাবিত আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ বোরহান উদ্দিন এর সভাপতিত্বে এ মানববন্ধনে জেলার সকল বীর মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেন।

বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল গত ২৯ অক্টোবর সারা দেশের সব জেলা ইউনিটের আহ্বায়কদের প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গোপালগঞ্জে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচিতে গোপালগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রস্তাবিত আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ বোরহান উদ্দিন বলেন, পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর মৃত্যুর পর তাঁর জানাজা ও দাফন কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে। এমনকি দাফনের জন্য খনন করা কবর ভরাট করে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার শেষ বিদায়ের সময় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন শুধু একজন ব্যক্তিকে অসম্মান করা নয়, বরং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের প্রতিও অবমাননা।
তিনি আরও বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। কোনো মুক্তিযোদ্ধা কিংবা তাঁর পরিবারের সদস্য যেন রাজনৈতিক পরিচয় বা মতপার্থক্যের কারণে হামলা, হয়রানি, হুমকি কিংবা সামাজিকভাবে অপদস্থ হওয়ার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

এ সময় তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি তাঁদের পরিবারকে আতঙ্কিত করতে বিভিন্ন স্থানে হামলা, বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে হবে এবং যেকোনো অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে বক্তারা পিরোজপুরের ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দেশের সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ৭১ স্বাধীনতা যুদ্ধ পরবর্তী দেশ বিরোধী রাজাকার, আলবদর বাহীনির পরাজিত শক্তি দীর্ঘদিন যাবৎ স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে করে আসছে, আজ তারা সোচ্ছার। ৭১- এর ইতিহাস মুছে দেওয়ার জন্য তার মেতে উঠেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার ইতিহাস এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগকে কোনোভাবেই অবজ্ঞা করার সুযোগ নেই। মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান সমুন্নত রাখা এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।