• ঢাকা
  • শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন

আফ্রিকা থেকে দেশে আসা ২৪০ জন নিখোঁজ, ফোনও বন্ধ


প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৩০, ২০২১, ৩:১০ অপরাহ্ন / ১৮৬
আফ্রিকা থেকে দেশে আসা ২৪০ জন নিখোঁজ, ফোনও বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, এমপি জানিয়েছেন, আফ্রিকা থেকে দেশে আসা ২৪০ জনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ফোনও বন্ধ। আজ মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, আফ্রিকা মহাদেশ থেকে আসতে সবাইকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। যদি আসে তাহলে ১৪ দিনের কঠোর কোয়ারেন্টিন অবশ্যই মানতে হবে। আর দেশে ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের বোস্টার ডোজ টিকা দেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, আগে আমাদের স্লোগান ছিল, নো মাস্ক, নো সার্ভিস‘। আর এখন আমাদের স্লোগান হচ্ছে, ‘নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস’। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে যদি ওমিক্রন ধরা পড়ে, তখন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস : করোনাভাইরাসের টিকা নেয়া নিয়ে মানুষের মধ্যে অনাগ্রহ দেখা দেওয়ায় ‘নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস’ অর্থাৎ ‘টিকা না নিলে সেবা পাওয়া যাবে না’ ব্যবস্থায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে করোনাভাইরাসের আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট ‘ওমিক্রন’ মোকাবিলার প্রস্তুতি সংক্রান্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে এক কোটি ডোজ টিকা দেয়া হয়ে গেছে। এরমধ্যে সিঙ্গেল ডোজ ৬ কোটির মতো, ডাবল ডোজ ৪ কোটির কাছাকাছি হয়ে গেছে। আমরা স্কুলের ছাত্র, বস্তিবাসী, সব পর্যায়ের লোকজনকে টিকা দেয়ার জন্য একেবারে কমিউনিটি ক্লিনিক পর্যন্ত গিয়েছি। ফাইজারের টিকাও আমরা বিভিন্ন জেলা উপজেলায় নিয়ে গেছি। তারপরও দেখা যায় অনেকে টিকা এখনও টিকা নেননি। আগে যে আগ্রহটা পেয়েছি টিকা নেয়ার সেই আগ্রহটা একটু কম। আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যেটা সবাই একমত হয়েছেন- আগে যেমন ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’ ছিল ছিল, এখন আমরা বলতে চাচ্ছি ‘নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস’। এটা আমাদের পরামর্শ রইল। এটা করতে পারলে আমাদের টিকা কার্যক্রমটা আরও বেগবান হবে, টিকা নেয়ার জন্য লোক এগিয়ে আসবে। কী ভাবে এটা বাস্তবায়ন হবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এখানে বসেই ‘নো ভ্যাকসিন, নো সার্ভিস’ স্লোগানটা তৈরি হয়েছে। আমরা এটা চিঠির মাধ্যমে সব মন্ত্রণালয়কে জানিয়ে দেব। তারা এটাকে যার যার মতো করে এনফোর্স করবে। টার্গেট লেভেলে আমরা ব্যবসায়িক সংস্থাকে জানিয়ে দেব। সরকারিভাবে সরকারি সংস্থাকে জানিয়ে দেব।