• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন

বিএনপি নেতার হাতে বিএনপি নেতা লাঞ্চিত


প্রকাশের সময় : মার্চ ৩১, ২০২৬, ৮:৫৬ অপরাহ্ন / ৭৬
বিএনপি নেতার হাতে বিএনপি নেতা লাঞ্চিত

এম এ মান্নান, মধ্যনগর, সুনামগঞ্জঃ সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা বিএনপি নেতার হাতে বিএনপি নেতা লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার চামরদানী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফুয়াদ মিয়ার হাতে ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ট সদস্য বিনয় সরকার লাঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে আবিদ নগর কাদিপুর বাজারে প্রকল্পের কাজ নিয়ে বাগবিতণ্ডার ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় চামরদানী ইউনিয়নের বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সহ সভাপতি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্ড কমিটির সদস্য বিনয় সরকারের উপর অতর্কিত আক্রমণ করতে চওড়াও হয় ফুয়াদ মিয়া। এবং বিনয় সরকারকে অখ্যাত ভাষায় গালাগালি ও হুমকি দুমকি দিতে থাকে ফুয়াদ। কথার কাটাকাটির একপর্যায়ে বিনয়কে আক্রমণ করতে উদ্ধত হয় ফুয়াদ মিয়া, এ সময় আবিদ নগর গ্রামের আমিনুল মিয়া উত্তেজিত ফুয়াদকে বাঁধা দিলে থাকেও মারপিট করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পরপরই বিনয় লাঞ্চিত হওয়ার খবর মহত্ত্বে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তাছাড়া সে দলিয় প্রভাব দেখিয়ে এলাকার মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাওয়ারও অভিযোগও উঠেছে।

সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, কাদিপুর বাজারে মতিন মিয়ার চায়ের দোকানে চা খাওয়ার জন্য বসেন বিনয় সরকার। এসময় ফুয়াদ মিয়া বিনয় সরকারকে দেখেই উত্তেজিত হয়ে গালাগালি করতে থাকে। এমনও বলে যে, কাহালা,কাদিপুর মাঝের রাস্তা প্রকল্পের কাজ করতে হলে আমাকে বলে করতে হবে, না হয় আমি দেখে নিবো। এরপর কথার কাটাকাটি ও বাগবিতণ্ডায় জরিয়ে পড়ে বিনয়ের সাথে।

লাঞ্চিতর বিষয়টি বিনয় সরকারের কাছে জানতে চাইলে, বিনয় সরকার গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করে বলেন, আমি নিঃস্বার্থ ভাবে জনস্বার্থে এলাকার উন্নয়ন কাজের সাথে জড়িত থাকি। তাই আমার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে পড়ে। তাই অনাকাঙ্খিত আক্রমণত্ব পরিস্থিতির শিকার হই আমি। ফুয়াদ মিয়া আমাকে আক্রমণের বিষয়টি জেলা এবং উপজেলার নেতকর্মীদের জানিয়েছি। এছাড়াও বিচারও চেয়েছি,আশাকরি নেতৃবৃন্দরা এর ন্যায় বিচার করবেন।

অভিযুক্ত ফুয়াদ মিয়ার সাথে কথা বললে,সে ঘটনাটি অশ্ব শিকার করে বলেন, দির্ঘদিন ধরে বিনয় আমার সাথে খারাপ আচরণ করে আসছে। প্রকল্পের কমিটি নিয়ে তার সাথে তর্কবিতর্ক হয়েছে। এছাড়া আর কিছু হয়নি। এ সময় আমি আমর ভাতিজাকে শাসন করেছি।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেন,লাঞ্চিতর ঘটনা ঘটেছে আমি শুনেছি, আমার সেক্রেটারী ঢাকায় আছে সে আসলেই বিচারে বসবো, এবং এর চুড়ান্ত বিচার করা হবে।