নিজস্ব প্রতিবেদক, ডুমুরিয়া, খুলনাঃ সুন্দরবনে বিষ দিয়ে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত বিষ বিক্রেতা ব্যাবসায়ী মোঃ সেলিম মিয়া (৫২) ও এক নারীসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৭ নভেম্বর) গভীর রাতে প্রথমে নারীসহ দুই জেলে, পরে ওই ব্যাবসায়ী সহ পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। এরপর রাতেই তাদের দাকোপ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, গত ২ নভেম্বর সুন্দরবনের দাকোপে এলাকায় বিষ প্রয়োগ করে মাছ ধরার সময় বাঁধা দেয় বনরক্ষীরা। এসময় বিষ প্রয়োগকারীরা নারীসহ দুই জেলে বনরক্ষীদের ওপর দেশিয় অস্ত্র দা নিয়ে হামলার করে। পরে বন বিভাগের পক্ষ থেকে খুলনার দাকোপ থানায় এ বিষয় অভিযোগ দাখিল করা হয়। বিষয়টি অবগত হয়ে দ্রæত বিষ প্রয়োকারীদের আটকের নির্দেশ দেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
আটক জেলে সোহেল শেখ ও নারী জেলে লাইজু বেগম নামক দুইজনকে মোংলার জয়মনি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে যার দোকান থেকে এই কিটনাশক (বিষ) ক্রয় করা হঢ সেই বিক্রেতা ব্যাবসায়ী সেলিম মিয়াকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে
আটক সেলিম মিয়া মোংলা পৌর শহরের শেখ আবদুল হাই সড়কের সার ও কীটনাশক মেসার্স জনতা ষ্টোর দোকানের মালিক। সেলিম মিয়া আসন্ন মোংলা বন্দর বাজার বনিক সমতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী। তার প্রচার প্রচারনা ছিলো চোখে পড়ার মতো।
এ বিষয়ে পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সুন্দরবনের ক্ষতি হয় এমন কর্মকান্ডে যারা জড়িত থাকবে তারা যত ক্ষমতাসীন ব্যাক্তি হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। আমরা চাই সুন্দরবন থাকবে দস্যু মুক্ত, বনের মৎস্য, বন্যপ্রানী সহ বজন সম্পদ থাকবে দির্বৃত্ত মুক্ত। যারাই সুন্দরবনের সম্পদের দিকে খরাপ নজরে তাকাবে বা সুন্দরবনে অপরাধ মুলক কার্যক্রম করবে তাদের পরিনতি হবে ভয়ংকর। তদন্ত চলছে, আরো যারা জড়িত রয়েছে তাদেরও আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।