কে এম শফিকুর রহমান, গোপালগঞ্জঃ গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং ব্যাপক কর্মসূচির মাধ্যমে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবিরের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রাকিবুল হাসান শুভ ও উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার সায়েদ উদ্দিনের সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. ভীস্মদেব মণ্ডল, মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি আব্দুস ছালাম খান, সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম রাজু, পৌর বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান মিন্টু, মুকসুদপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরিফুল রোমান এবং সরকারি এস জে মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুনীল মণ্ডল।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইয়ুম শরীফ, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মিজানুর রহমান, প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা মৎস্য অফিসার আজিজুল ইসলাম, পৌর বিএনপির সভাপতি আবুল বাসার টুল্টু, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ এবং উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান বিপ্লব, সদস্য সচিব আব্দুল কাইয়ূম মুন্সি, সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল মুন্সী, সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রহমান রুইন, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মুন্সি আশিকুর রহমান, সরকারি মুকসুদপুর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী মুন্সি ও সাধারণ সম্পাদক মহাসিন মোল্লাসহ বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সভায় বক্তারা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক পটভূমি, সিপাহী-জনতার বিপ্লব এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এই দিবসের বিশেষ তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচনা সভা শেষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পরবর্তীতে শরিফুল রোমানের সঞ্চালনায় মুকসুদপুর উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি ও রবীন্দ্র-নজরুল একাডেমির শিল্পীরা একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন।