এ.কে আজাদ, লক্ষ্মীপুরঃ আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে ঘিড়ে লক্ষ্মীপুরের ৯নং কুশাখালী ইউনিয়নে জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আগামীতে কেমন চেয়ারম্যান দেখতে চান?এমন প্রশ্নের জবাবে সচেতন এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন থেকে এই ইউনিয়নটি অবহেলিত ও উপেক্ষিত। উন্নয়নের কিন্ঞিত ছোঁয়া লাগলেও বেশীরভাগই উন্নয়ন বন্ঞিত। বিগত দিনে যারাই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন, তারা প্রত্যেকেই যার যার আখের গোচাতে ব্যস্ত ছিলো।লুটপাট ও সেচ্চাচারিতা ছিলো নিত্যদিনের। সাধারণ মানুষ কোন ন্যায় বিচারের আশায় তাদের কাছে গেলে বেশীরভাগ মানুষই বৈষম্যের স্বিকার হতো।হাতে গনা দুএকজন ন্যায় বিচার পেলেও তা শালিশ বানিজ্যের মধ্য দিয়ে সমাধান হতো।বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা,টিআর, কাবিখা, কাবিটা, জন্ম নিবন্ধন, ট্রেড লাইসেন্স সহ যেকল সরকারি সুযোগ সুবিধা চেয়ারম্যানের নিকট পাওয়া যায় তার সবকিছুই মিলেছে অর্থ বানিজ্য ও ব্যাপক হয়রানির মধ্য দিয়ে।
আগামী দিনে এমন একজন চেয়ারম্যান চায় কুশাখালীবাসী যিনি হবেন শিক্ষিত, মার্জিত ও রুচিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব। কুশাখালী ইউনিয়নের প্রানকেন্র শান্তিরহাট বাজার যেখানে ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। তাই যিনি চেয়ারম্যান হবেন তিনি এই বাজারের আশপাশের হলে জনসাধারণের সেবা দিতে অনেক সহজ হবে।ইউনিয়ন বাসীর সুখে দু:খে সবসময় পাসে পাবেন।
ইউনিয়নবাসীর ভাষ্যমতে আলোচনায় রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নাসিরউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক হাজী আবুল কাসেম এছাড়াও রয়েছেন বিএনপি নেতা হুমায়ুন কোম্পানি।
এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ হতে একটু দুরবর্তী এলাকায় রয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান ছালেহউদ্দিন মানিক, বিএনপি নেতা বিপু সহ প্রায় ডজনখানেক।
তফসিল ঘোষণার পরই ধাপে ধাপে সক