• ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন

৫০ ভাগ পরকীয়ার স্থায়িত্ব এক বছরের বেশি নয়


প্রকাশের সময় : ডিসেম্বর ২৯, ২০২১, ৪:১৬ অপরাহ্ন / ১৬৯
৫০ ভাগ পরকীয়ার স্থায়িত্ব এক বছরের বেশি নয়

ডেক্স রিপোর্ট : পঞ্চাশ ভাগ পরকীয়াই এক বছরের বেশি টেকে না।পরকীয়ায় সিরিয়াস সম্পর্ক কম ক্ষেত্রেই হয়। আর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই সম্পর্ক পারিবারিক জীবনে অশান্তি ডেকে আনে এবং সেটা বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়ায়। পরকীয়ার সম্পর্ক কখনো পরিণতি পায় না। খুব কম ক্ষেত্রেই টেকসই হয় বিবাহ বহির্ভূত এই সম্পর্ক। এ বিষয়ে একমত পোষণ করেছে সাম্প্রতিক এক গবেষণা। সাম্প্রতিক গবেষণা দেখা গেছে, শতকরা ৫০ ভাগের বেশি পরকীয়া সম্পর্কের স্থায়িত্ব এক মাস থেকে এক বছর। এক বছরের বেশি হলে তা সর্ব্বোচ্চ ১৫ মাস বা তার কিছু বেশি পর্যন্ত টেকসই হয়। শতকরা ৩০ ভাগ সম্পর্ক দুই বছর বা তার বেশি স্থায়ী হয়। পাঁচ ভাগের কম ক্ষেত্রে পরকীয়ার সম্পর্ক বিয়েতে গড়ায়। যদিও এই সংখ্যা বাড়ছে।

দীর্ঘ আট বছর ধরে পরকীয়া প্রেম নিয়ে গবেষণা করছেন মিসৌরি স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর অ্যালিসিয়া ওয়াকার। সম্প্রতি তার একটি পেপার প্রকাশিত হওয়ার পর সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছে। সেটি নিয়ে প্রতিবেদন করেছে ‘স্ট্যাটিস্টা ডট কম’ ও ‘দ্য ইকোনমিক টাইম’। প্রতিবেদনের এসব তথ্য উঠে আসে।

প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১০ পেশার মানুষ সবচেয়ে বেশি পরকীয়া করে। সেগুলোর মধ্যে সবার উপরে আছে সামাজিক কাজ করেন এমন ব্যক্তিরা। তারপরে আছে শিল্প ও বিনোদন ইন্ডাস্ট্রির মানুষেরা। তৃতীয় স্থানে আছে শিক্ষাক্ষেত্র। তারপর আছে আইন পেশার মানুষ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, চিকিৎসাক্ষেত্র, মার্কেটিং, সাংবাদিকতা, ফিন্যান্সের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিত্ব আর উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ীরা। তবে পরকীয়ায় শীর্ষ ১০ এর তালিকায় নেই রাজনীতিবিদরা।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, নিঃসন্তান দম্পতির চেয়ে যাদের সন্তান আছে, তাদের পরকীয়ার প্রবণতা বেশি। শতকরা ৫০ শতাংশেরও বেশি পরকীয়ার সম্পর্ক রাখা ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, তারা ব্যক্তিগত জীবনে বিরক্ত হয়েই পরকীয়ায় জড়িয়েছেন।

পরকীয়ায় শীর্ষ দশ দেশের তালিকায় রয়েছে যথাক্রমে থাইল্যান্ড, ডেনমার্ক, জার্মানি, ইতালি, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, নরওয়ে, স্পেন, ফিনল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য। থাইল্যান্ডের বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার বিবাহিত ব্যক্তিদের ভেতর শতকরা ৫০ ভাগের বেশি বিবাহিত মানুষেরা জানিয়েছেন, তাঁদের অন্য সম্পর্ক আছে। তবে সঙ্গে এ–ও বলেছেন, এটাকে এত গুরুত্ব দেবার কিছু নেই। সেটার অবস্থান পরিবার আর পেশাগত দায়িত্বের পর।