• ঢাকা
  • শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৭:১৬ অপরাহ্ন

স্কুলের পাঠ্যপুস্তক নিয়ে যা হচ্ছে সেটা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একটা প্রক্রিয়ার অংশ


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৬, ২০২৩, ৬:২২ অপরাহ্ন / ৪৫
স্কুলের পাঠ্যপুস্তক নিয়ে যা হচ্ছে সেটা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা একটা প্রক্রিয়ার অংশ

মোঃ রাসেল সরকারঃ আধুনিক রাষ্ট্রে স্কুলসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রাস্ট্রের আদর্শিক যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ‘শিক্ষা’র উদ্দেশ্য থাকে ‘সুবোধ নাগরিক’ এক বিশেষ ধরণের মানুষ তৈরি করা, যার জীবন কাটবে ভোগ-উপার্জনের অনুগত মেশিন হিসেবে।

এই নির্দিষ্ট ধরণের মানুষ তৈরির জন্য শেখাতে হয় নির্দিষ্ট ধরণের আকীদাহ। শিশুদের মগজধোলাই করে দীক্ষিত করতে হয় নির্দিষ্ট ধরণের বিশ্বাসে। পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে তাই করা হচ্ছে। অনেক দিন ধরেই। বিষের মাত্রা সময়ের সাথে সাথে বাড়ছে।

বাংলাদেশে সেক্যুলারিসমের মৌলিক দুটো দিক হল পশ্চিমের অন্ধ অনুকরণ এবং ইসলামবিদ্বেষী বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ যার শেকড় কলকাতার ‘বেঙ্গল রেনেসা’-তে। স্কুলের পাঠ্যবইয়ে ব্রিটিশবন্দনা, বাংলার ইসলামী ইতিহাসকে গুরুত্ব না দেয়া থেকে এলজিটিভি নিয়ে যা কিছু ঢোকানো হয়েছে, সব ঘুরেফিরে এই দুই দিক থেকে ব্যাখ্যা করা সম্ভব।

এধরণের শিক্ষার কারণেই এমন এক সমাজ তৈরি হয় যেখানে ‘ইসলাম’ চাওয়াকে ‘জংঙ্গীবাদ’ বলা যায়, হিজাব-নিকাব-দাড়িটুপির জন্য বৈষম্যমূলক আচরণ করা যায়, সংস্কৃতির নামে ইসলামকে আক্রমন করা যায় এবং বৈধতা দেয়া যায় মুসলিমদের ওপর সহিংসতাকে।

এই শিক্ষাব্যবস্থাকে আপনি-আমি বদলাতে পারবো না। সেই ক্ষমতা আমাদের নেই। কিন্তু আমাদের স্বার্থে, আমাদের পরিবার ও পরবর্তী প্রজন্মের স্বার্থে এগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলা অপরিহার্য। কলুষতার স্রোতকে রুখে না দিলে কোন কিছু রেহাই পাবে না।

মোঃ রাসেল সরকার,সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী।