• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় আহসানউল্লাহ প্রকাশ হিরন গ্রেফতার 


প্রকাশের সময় : জুলাই ১৭, ২০২১, ১০:৫৩ অপরাহ্ন / ৪৭০
লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় আহসানউল্লাহ প্রকাশ হিরন গ্রেফতার 

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মিয়া গোলাম ফারুক পিংকুর উপর গত ২১ শে জুন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কমলনগর উপজেলায় সন্ত্রাসী হামলা করে আহসান উল্যাহ হিরন সহ অসংখ্য গুন্ডা বাহিনী। এসময় সভাপতির গাড়ীও ভাংচুর করে তারা।এ ঘটনার মুল পরিকল্পনাকারী উপজেলা চেয়ারম্যান মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পী ও হিরন বলে জানা যায়। পরবর্তীতে আওয়ামী নেতৃবৃন্দ আওয়ামী সভাপতিকে উদ্ধার করে কমলনগর থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করেন। ব্যাপক অনুসন্ধানে জানা যায়, আহসানুল্লাহ হিরন কে গ্রেফতার এর খবর ছড়িয়ে পড়লে তার ইউনিয়ন এবং কমলনগর উপজেলার সাধারণ মানুষের মনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।এতোদিন মানুষ ভয়ে মুখ না খুললেও এখন আর চুপ থাকছেনা কেউ।রামগতি -কমলনগর তথা লক্ষ্মীপুর ৪ আসনের এমপি আব্দুল্লাহ আল মামুনের শেল্টার নিয়ে শুরু হয় গ্রেফতার হওয়া এই হিরনের অপরাধ জগৎ। এদিকে হাতে রয়েছে যুবলীগের সাইনবোর্ড। সে কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন আহবায়ক হওয়ায় এলাকার জনগন তার কাছে জিম্মি হয়ে পরেছিলো।মদ,জুয়া,নারী সহ তার পোস্যকৃত সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে চুরি,ডাকাতী,জমি দখল সহ নানান অপরাধ প্রবনতা চালিয়ে আসছিলো দীর্ঘদিন যাবত।চাঁদাবাজীতে ছিলো বেশ পটু।বড় বড় ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মোটা অন্কের চাঁদাবাজি করতো বলে বিশ্বস্হ একটি সুত্র জানিয়েছে। তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে তাকে ষড়যন্ত্র করে ডেকে এনে হামলা চালানোর পাসাপাসি মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে করতো সর্বশান্ত।সাবেক এমপি আব্দুল্লাহ এবার পার্লামেন্ট সদস্য হতে না পারলেও হিরনের সহদর যুবলীগ আহবায়ক মেজবাহ উদ্দিন বাপ্পী হয়ে যায় উপজেলা চেয়ারম্যান। নৌকার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে জোরপূর্বক ভোট ছিনিয়ে নেয় সন্ত্রাসী বাহীনী দ্বারা।এতে গোটা আওয়ামী লীগের কাছে  হয়ে যায় মীরজাফর। এরা আওয়ামী লীগ নামধারী জামায়াত শিবির পন্হী বলে অভিযোগ ও উঠেছে। এরই মধ্যে গত ২১শে জুন ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে সন্ত্রাসী তান্ডব চালায় লক্ষ্মীপুর গন মানুষের নেতা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মিয়া গোলাম ফারুক পিংকু সাহেবের উপর।তার গাড়ী ভাংচুর সহ তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ চালায় এই হিরন গংরা।আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ছুটে এসে পিংকু সাহেবকে উদ্ধার করে গোটা জেলা, উপজেলা ও প্রত্যেক ইউনিয়নে প্রতিবাদ  সভা ও সমাবেশ করেন এসব সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবীতে।এতে করে গোটা কমলনগর উপজেলার সন্ত্রাসীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।কমলনগর থানায় যে মামলাটি করা হয়েছিল, সে মামলায় হিরন ৩৪ নম্বর আসামি।