মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিশিষ্ট অভিনেতা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর বড় ভাই মাহমুদ সাজ্জাদ আর নেই জাতীয় প্রেসক্লাবের ৬৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তথ্যমন্ত্রী চাঁদপুরের মতলব উত্তরের ১নং ষাটনল ইউপি চেয়ারম্যান পদে নৌকার মাঝি হিসাবে নুরুল আজাদকে পেতে চান ইউনিয়নবাসী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সারাদেশে বিজিবি মোতায়েন রাজধানীর মুগদার ‘ফ্রিডম রাজা’ এখন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ঢাবিতে স্বশরীরে ক্লাস শুরু বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলেন মমতা আগামী রোববার এলপি গ্যাসের নতুন দর ঘোষণা বাংলাদেশে সব ধরনের মাদক আসে প্রতিবেশী দেশ থেকে: আইজিপি বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ৪ দিন আমদানি-রফতানি বন্ধ



রাজশাহীর রাজপাড়া থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মকবুলের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১
  • ৭২ Time View

রাজশাহী অফিসঃ শারীরিক পঙ্গুত্ব ও রাষ্ট্রীয় পদককে ঢাল বানিয়ে রমরমা করছেন গ্রেফতার বাণিজ্য, নিরীহ দের ফাঁসাচ্ছে মিথ্যা মামলায় আরএমপি,রাজপাড়া থানার সেকেন্ড অফিসার এস,আই মকবুল। সাড়া পৃথিবীর মত গোটা দেশ যখন কোভিড ১৯ মহামারিতে স্তব্ধ ঠিক তখনই আরএমপি, রাজশাহীর রাজপাড়া থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই/মকবুলের বিরুদ্ধে উঠেছে নানা দূর্ণীতি ও ক্ষমতা অপব্যবহারের অভিযোগ।

ভুক্তভোগী অভিযোগকারী জনৈক মোঃ লিটন শেখ (৩২), পিতাঃ মোঃ ইয়াসিন শেখ, সাং- মহিষবাথান, থানাঃ রাজপাড়া, বর্তমান সাং- হড়গ্রাম শেখপাড়া, থানাঃ কাশিয়াডাঙ্গা, মহানগর রাজশাহী পেশায় একজন দরিদ্র ব্যবসায়ী আজকের রাজশাহী কে লিখিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, “গত ইং ০৮/১২/২০১৯ তারিখে আমার ১টি পিকআপ গাড়ী ছিনতাই হওয়ার অভিযোগ অন্তে ওসি সাহেবের নিদের্শ মতে তৎকালীন কাশিয়াডাঙ্গা থানার সেকেন্ড অফিসার হিসাবে কর্মরত নিয়োজিত থাকাবস্থায় এস.আই মকবুল হোসেন (বর্তমানে রাজপাড়া থানার সেকেন্ড অফিসার হিসাবে কর্মরত আছে) গত ইং ১১/১২/২০২১ তারিখে গাড়ীটি উদ্ধার এবং আসামীদেরকে থানায় এনে মামলা না নিয়ে আসামীদের নিকট থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে আমাকে আপোষ মিংমাসার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। আমি পরবর্তীতে কোর্টে মামলা দায়ের করি। এস.আই মকবুল হোসেন তাঁর ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং স্থানীয় প্রভাবে নিজস্ব লোকজন দ্বারা প্রায় ২ মাস পরে একটি মিথ্যা জব্দ তালিকা তৈরি করে।

এসআই মকবুল ষড়যন্ত্র করে আমার বিরুদ্ধে ১নং আসামীকে বাদী করে কোর্টে মিথ্যা মামলা দায়ের করান। পরবর্তীতে সিআইডি দ্বারা তদন্ত শেষে আমাকে উক্ত মামলা থেকে অব্যহতি প্রদান করা হয়েছে। আমার কোর্ট মামলা এসআই মকবুল অর্থ লোভী আসামী দ্বারা প্রলোভিত হয়ে নিজেই তদন্ত শেষে ধারা বাদ দিয়ে কোর্টে তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে আমি নারাজি প্রদান করি। আমি বাদী হয়ে পূর্বে এসআই মকবুলের বিরুদ্ধে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স বরাবর দরখাস্ত দিলে উক্ত তদন্তে জব্দ তালিকায় বর্ণিত সাক্ষীদ্বয়কে দিয়ে অর্থ ও ভয়-ভীতির মাধ্যমে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করায়। আমি কিছুদিন পরে জানিতে পারি যে, আমার জব্দ তালিকায় বর্ণিত সাক্ষীদ্বয় এসআই মকবুল হোসেন র একান্ত সোর্স এবং তার বিভিন্ন সময়ে অসংখ্য সাজানো মাদক মামলার ও জব্দ তালিকায় অর্থের বিনিময়ে সাক্ষী হয়ে থাকেন।



Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category



© All rights reserved © 2020 ajkerbd24.com
Design & Development By: Atozithost
Tuhin