• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:১৩ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে ভোট কারচুপির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন : ভোট পুনর্গণনার দাবী


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ২৩, ২০২২, ৪:০৫ অপরাহ্ন / ১১১
রাজশাহীতে ভোট কারচুপির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন : ভোট পুনর্গণনার দাবী

রাজশাহী ব্যুরো : সারাদেশে শেষ হওয়া ৫ম ধাপের ইউপি নির্বাচনে রাজশাহী পুঠিয়া উপজেলার ৩নং বানেশ্বর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের নির্বাচন ফলাফল কারচুপির অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন ৫ জন সদস্য পদপ্রার্থী। লিখিত ঐ অভিযোগে পূণরায় ভোট গণনার দাবি জানান। সমাধান না পেয়ে অবশেষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেই সকল সদস্য পদপ্রার্থী গণ।

রবিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুর ১২ টায় শিবপুর বনিক বাজার সমিতি কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে সদস্য পদপ্রার্থী ইলিয়াস হোসেন (মোরগ প্রতীক), আমির হামজা (ভ্যান গাড়ী প্রতীক), হায়দার (বৈদ্যুতিক পাখা প্রতীক), বাচ্চু (ক্রিকেট ব্যাড), সালাউদ্দিন বাবুসহ (টিউবওয়েল) আরো দুই প্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য আমির হামজা বলেন, গত ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে বানেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডে পক্ষপাত করে ভোট কারচুপি ও ভোট গণনার কৌশল অবলম্বন করে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রে ভোট গণনা ছাড়াই ফলাফল প্রদান করা হয়। এমনকি ভোট গ্রহণের পূর্বেই পোলিং এজেন্টদের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। আর এই সকল কারচুপি করেন দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার আতিকুর জামান আতিক। এরপর ৬ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) পুঠিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার নিকট একটি লিখিত আবেদন করেন। যার রিসিভ কপি সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হলো।

সংবাদ সম্মেলনে আরেক মেম্বারপ্রার্থী মোহাম্মদ হায়দার আলী বলেন, পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বানেশ্বর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী হিসেবে আমি সহ মোট ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। ভোটের দিন সকাল থেকে ভোটাররাও বিপুল উৎসাহ নিয়ে ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন। সকাল থেকে আমাদের ৪নং ওয়ার্ডের শিবপুর হাট উচ্চ বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে আনন্দের সাথে ভোটাররা ভোট দিতে থাকে এমন সময় আমাদের আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী (লাইট প্রতীক) মোঃ আব্দুল মালেক ভোট কেন্দ্রের ভিতর অস্বাভাবিকভাবে চলাচল শুরু করেন এবং প্রিজাইডিং অফিসার আতিকের সাথে দৃষ্টিকুটু সাক্ষাৎ করেন । যা দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। এই আব্দুল মালেক মেম্বার ও সুলতান চেয়ারম্যান, উভয়ে মিলে দীর্ঘ ১৮ বছর বানেশ্বর ইউয়িনের অপর একটি নাটকীয় মামলা সাজিয়ে নিজেদের রাজত্ব কায়েম করে আসছিলেন। যার ফলে এই ইউনিয়নের মানুষ ১৮ বছর নিজেদের ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। কিন্তু এই ইউনিয়নের মানুষ ভোট দিতে পারলেও তা নাটকীয়ভাবে ফলাফল ঘোষনা করা হয়েছে। আমরা এই অন্যায়ের বিচার সহ পুনর্গণনা করা দাবী জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে প্রিজাইডিং অফিসার আতিকুর জামান আতিককে ফোন দেওয়া হলে তিনি বলেন, আমার উপর আনিত অভিযোগ মিথ্যা। সঠিক প্রক্রিয়ায় ভোট সম্পূর্ণ করা হয়েছে। পুলিং এজেন্টদের থেকে গণনার আগে কেন সাক্ষর নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বিকার করেন।