• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ০৪:০৩ অপরাহ্ন

রাজশাহীতে পুলিশের সার্জেন্ট মাহমুদের বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ৭, ২০২২, ৮:৪৬ অপরাহ্ন / ১৫৫
রাজশাহীতে পুলিশের সার্জেন্ট মাহমুদের বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ

শেখ শিবলী রাজশাহী ব্যাুরোঃ- রাজশাহীতে এক গৃহকর্মীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোসহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গৃহকর্মী আজ ৭ জানুয়ারি নির্যাতনকারী আরএমপি পুলিশের সার্জেন্ট এস এম মাহমুদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঐ গৃহকর্মীর নাম সাজেদা। সে শিরোইল মোল্লা মিল এলাকার আলমগীরের স্ত্রী।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যাক্ষদোষীরা জানায়, দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ বিভিন্ন বাসা বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করছেন সাজেদা। সাজেদা এর মধ্যে দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ সার্জেন্ট মাহমুদের নানী শাশুড়ী বাড়িতে কাজ করছেন। নানী শাশুড়ীর অনুরোধে সার্জেন্টের বাসায় কয়েকদিনের জন্য কাজ করতে যায় সাজেদা। সার্জেন্টের বাসায় গত ১-১-২২ ইং তারিখ থেকে ৩-১-২২ ইং তারিখ পর্যন্ত কাজ করেন সাজেদা। এরপর সার্জেন্ট মাহমুদ ২৪ ঘন্টা তার বাসায় থেকে কাজ করার জন্য বলেন। তিনি কাজ করবেন না বলে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি ধামকিসহ নির্যাতন করা শুরু করেন। তিনি বলেন অন্য কারো বাসায় আপনি কাজ করতে পারবেন না। হয় আমার বাসায় কাজ করবেন না হয় জেলে যাবেন।
গত ৬ জানুয়ারি কাজের মেয়ে সাজেদা ভাড়া বাসায় পুলিশ পাঠায় সার্জেন্ট মাহমুদ। সেখানে সার্জেন্ট মাহমুদ বলেন, সাজেদা তার বাসার সোনা চুরি করে নিয়ে এসেছে। পরে ভুক্তভোগীর (সাজেদা) ফোনে ফোন দিয়ে মাহমুদ বলেন আমার বাসায় কাজ না করলে চুরির মামলা দিয়ে জেলে পাঠিয়ে ১০ দিন হলেও জেল খাটাবো। পরে আমিই জেল থেকে বের করবো। তবুও আমার বাসায় কাজ করতে হবে মর্মে হুমকি দেন।
ভুক্তভোগী সাজেদা সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে নানা ভাবে সার্জেন্ট মাহমুদ হুমকি ও ভয়ভিতিসহ মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো চেষ্টা করছেন। এমনকি গতকাল ৬ জানুয়ারি আমার বাসায় পুলিশ নিয়ে গিয়ে হুমকি দিয়েছে। এ বিষয়ে আমি আজ ৭ জানুয়ারি বোয়ালিয়া মডেল থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এখানে উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বেও মাহমুদের বাসায় কর্মরত গৃহকর্মীকেও চুরি অপবাদ দেওয়া হয়েছিলো। চুরি অপবাদ দেওয়ার কারণে তার বাসায় কোন গৃহকর্মী কাজ করতে চায় না।
কথা বলতে সার্জেন্ট মাহমুদকে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
কথা বললে বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মন বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ হয়েছে। তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।