• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৫ Jun ২০২৪, ১২:১৭ অপরাহ্ন

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঝুঁকিপূর্ণ কাঁচামালের আড়তে উচ্ছেদ অভিযান


প্রকাশের সময় : মে ১১, ২০২৩, ৩:০৮ অপরাহ্ন / ৪৪
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ঝুঁকিপূর্ণ কাঁচামালের আড়তে উচ্ছেদ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) কর্তৃক কারওয়ান বাজার কাঁচামালের আড়ত মার্কেট ভবনে অভিযান চলছে। অভিযান শেষে পুরো মার্কেট সিলগালা করে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টার পরে ডিএনসিসির ভ্রাম্যমাণ আদালত মার্কেটটির বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাসের লাইন বিচ্ছিন্ন করে দেয়। বর্তমানে মার্কেটটিতে মোট ১৭৬টি দোকান রয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোতাকাব্বীর আহমেদ এই অভিযান পরিচালনা করছেন। তিনি জানান, মার্কেটটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় গত এপ্রিল মাসের শুরুর দিকে ব্যবসায়ীদের মার্কেট ছাড়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ব্যবসায়ীরা তারপরও মার্কেট থেকে সরেনি। তাই বাধ্য হয়ে মার্কেটের গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির লাইন বিচ্ছিন্ন করে সিলগালা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে রাজধানীর ঝুঁকিপূর্ণ অন্য মার্কেটগুলোকেও সিলগালা করা হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে মার্কেটের একাধিক ব্যবসায়ী বলছেন, তাদের সময় দেওয়া হয়নি। সময় দিলে অন্য জায়গায় ব্যবস্থা করে চলে যেতেন বলেও জানান তারা।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, ডিএনসিসি আওতাধীন ৪৩টি মার্কেটের মধ্যে ২০টিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে আটটি মার্কেটকে ‘অতি নাজুক’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে উত্তর সিটি করপোরেশন। এগুলো হচ্ছে, গুলশান উত্তর কাঁচা মার্কেট, গুলশান দক্ষিণ পাকা মার্কেট, মোহাম্মদপুর কাঁচাবাজারের প্রথম ও দ্বিতীয় তলা, রায়েরবাজার মার্কেট, কারওয়ান বাজার ১ নম্বর মার্কেট, কারওয়ান বাজার ২ নম্বর মার্কেট, কারওয়ান বাজার অস্থায়ী কাঁচা মার্কেট (কিচেন মার্কেট), কারওয়ান বাজার কাঁচামালের আড়ত মার্কেট ভবন। অতি ঝুঁকিপূর্ণ এই আটটি মার্কেটের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে সংশ্লিষ্ট এপ্রিল মাসেই প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, পরিত্যক্ত ভবন ভেঙে ফেলার দায়িত্ব সিটি করপোরেশনের। ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেট থেকে ব্যবসায়ীদের সরিয়ে দিতে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। তারা যদি না সরেন, ম্যাজিস্ট্রেটরা সরিয়ে দেবেন। এসব কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ভবনগুলো ভেঙে ফেলা হবে। আগে মানুষের জীবন, তারপর ব্যবসা।