• ঢাকা
  • রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন

যশোরের ঝিকরগাছার পল্লীতে গ্রাম্য ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় হাত বাদ গেলো এক শিশুর


প্রকাশের সময় : মে ২৬, ২০২২, ৯:৪৪ অপরাহ্ন / ২৪৮
যশোরের ঝিকরগাছার পল্লীতে গ্রাম্য ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় হাত বাদ গেলো এক শিশুর

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বড় পোদাউলিয়া গ্রামের পল্লী চিকিৎসক রেজাউল হকের কারনে দেড় বছর বয়সের শিশু আফরোজার একটি হাত বাদ দিতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

আফরোজা বড় পোদাউলিয়া গ্রামের খায়রুল ইসলামের মেয়ে। খেলার ছলে আফরোজার তরকারি কাটা বটিতে হাত কেটে গেলে বড় পোদালিয়া গ্রামের কোয়াক ডাক্তার রেজাউল হকের কাছে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।৷ রেজাউল রোগীকে হাসপাতালে না পাঠিয়ে নিজে সেলাই করে টাইট করে ব্যান্ডেজ করে দেন। রাতে রোগীর হাতে রক্ত চলাচল করতে না পেরে প্রচন্ড ব্যাথা হতে শুরু করে। রোগীর অভিভাবকরা আবার ঐ পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে সে কিছু হবে না বলে অভয় দেন। রাতে এক পর্যায়ে অবস্থা খারাপের দিকে গেলে রোগির স্বজনেরা শিশুটিকে বাগআঁচড়ার জোহরা মেডিকেলে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত চিকিকিৎসক অবস্থা ভাল না দেখে শিশুটিকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রেফার্ড করে দেন। ততক্ষণে শিশুটির হাত নেক্রোসিস হয়ে পচে গিয়ে একে বারে নষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তীতে শিশুটিকে ঢাকায় পাঠানো হলে সেখানে আফরোজার হাত কেটে বাদ দিতে হয়।

পল্লী চিকিৎসক রেজাউল এর আগেও এ ধরনের ঘটনা বহুবার ঘটিয়েছে। গ্রামের সহজ সরল মানুষের সরলতার সুযোগ নিয়ে সে আরো বেপোরোয়া। তার কোন প্রাতিষ্ঠানিক চিকিৎসা সম্পর্কিত জ্ঞান নেই। অথচ সে ছোটখাটো এমন ধরনের সার্জারী করে যাচ্ছে। গ্রামের সচেতন নাগরিক সমাজ এই জঘন্য কাজের জন্য পল্লী চিকিতসক রেজাউলের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী তুলেছেন।