• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ০৬:১১ অপরাহ্ন

মৃত পুলিশ কর্মকর্তা সোহরাবের সঞ্চিত সম্পদ ফেরত দিচ্ছে না ছোট ভাই রিয়াজ


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১৮, ২০২৩, ১২:০৯ অপরাহ্ন / ৪৪
মৃত পুলিশ কর্মকর্তা সোহরাবের সঞ্চিত সম্পদ ফেরত দিচ্ছে না ছোট ভাই রিয়াজ

মোঃ রাসেল সরকারঃ পুলিশ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেনের মৃত্যুর পর তার সারা জীবনের সঞ্চয়ের টাকা আত্মসাৎ করে গাঢাকা দেয় আপন ছোট ভাই রিয়াজ হোসেন। এতে ছোট ছোট চার সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন সোহরাবের স্ত্রী স্নিগ্ধা। ৭০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার পরেও থেমে নেই রিয়াজ হোসেন। এখন নানা ভাবে প্রাননাশের হুমকি ধামকি দিচ্ছেন। সোহরাবের গ্রামের বাড়ি পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার বিষ্ণুকাঠি গ্রামে। এছাড়াও ঐ এতিম চার শিশুর কোটি টাকার পৈতৃক সম্পদ জবর দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। এ নিয়ে থানায় অভিযোগ হলেও কোনো প্রতিকার মিলছে না।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০২১ সালের ১১ মার্চ বরগুনা জেলায় ট্রাফিক ইন্সপেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় স্ট্রোক করে মৃত্যু বরন করেন সোহরাব হোসেন । সোহরাবের স্ত্রী সৈয়দা লুলুউ মারজান স্নিগ্ধা জানান, মৃত সোহবার হোসেনের আপন ভাই ও বোন এবং তাদের সহযোগীরা তার অর্থ সম্পদ লুটেপুটে খেয়ে তাদের কে প্রাণনাশের ভয় দেখাচ্ছে।

মৃত সোহবার হোসেনের ভাই অভিযুক্ত মোঃ রিয়াজ হোসেন এর সহযোগী রাজ্জাক মীর, বোন শাবানা বেগম, আহাম্মদ আলী মুন্সী (রাজ্জাক মীর এর বন্ধু) মোঃ রিয়াজ হোসেন মীর এর অন্য বোন শারমিন আক্তার পেয়ারার ( কথিত প্রেমিক) নানান ভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে স্ত্রী সৈয়দা লুলুউ মারজান স্নিগ্ধা কে। পাড়া প্রতিবেশীসহ গ্রামের গন্যমান্য ব্যক্তিদের শালিস বৈঠকের সমঝোতার সিদ্ধান্ত মানছেন না রিয়াজ।

সোহরাব হোসেন জীবিত থাকাকালে তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের স্বরুপকাঠিতে ঘর তুলে দেওয়ার জন্য ১২ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন রিয়াজকে।এছাড়াও তার মৃত্যুর পরে ৩ জনের কাছ থেকে পাওনা টাকা, ব্যবসা বাণিজ্য করার কথা বলে বিভিন্ন ভাবে টাকা পয়সা আত্মসাৎ করেছে । এছাড়াও মৃত সোহরাব হোসেন এর ব্যবসা দেখাশোনা করতো রিয়াজ। ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর সোহরাব হোসেনের সারাজীবনের সঞ্চয় এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র হাতিয়ে নিয়েছে রিয়াজ। আপন বড় ভাইয়ের মৃত্যুকে সুযোগ মনে করে চারটি এতিম সন্তান ও একজন বিধবার সাথে প্রতারনার বিষয়টি এলাকায় চাঞ্চ্যলের সৃষ্টি হয়েছে। রিয়াজ হোসেনের অপকর্মের বিরুদ্ধে খিলগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেছিলেন ভুক্তভোগী এই নারী।১মাস জেল খেটে আপোষের কথা বলে শাশুড়ি, ননদ, দেবর, সবার অনুরোধে জামিনে মুক্ত করে আনার পরে আবারো পালিয়ে থেকে নানা হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে রিয়াজ। একজন পুলিশ সদস্যের স্ত্রী হয়েও আজ ছোট ছোট এতিম বাচ্চাদের নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে এই ভুক্তভোগী নারীর।এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এই নারী আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীসহ সকলের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।