• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন

মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন টাকা : কখনো ম্যাজিস্ট্রেট কখনো এসপি সুমন খুলনায় গ্রেফতার


প্রকাশের সময় : অক্টোবর ১৬, ২০২২, ১২:১৯ অপরাহ্ন / ১৮
মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন টাকা : কখনো ম্যাজিস্ট্রেট কখনো এসপি সুমন খুলনায় গ্রেফতার

মোস্তাইন বীন ইদ্রিস (চঞ্চল), খুলনা : কখনো ফেনীর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, কখনো পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবার কখনো পুলিশ সুপার পরিচয়ে মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নিতেন টাকা। পরে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ও সিম ভেঙে ফেলতেন। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। অবশেষে সুমন সাহা (৩২) নামের ওই প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) নগরীর মুন্সিপাড়া ইস্পাহানী লেন এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতার সুমনের বাড়ি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার উত্তর খেজুরবাড়িয়া গ্রামে। তার বাবার নাম শ্যামল কুমার সাহা।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিবি) বি এম নুরুজ্জামান এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, গত ২ অক্টোবর দুপুরে ফেনীর সোনাগাজী বাজারের মদিনা মিষ্টি মেলা দোকানের মালিক মো. হেদায়েত উল্যাহকে ফোন দেন প্রতারক সুমন। নিজেকে ফেনীর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবুল কালাম আজাদ পরিচয় দিয়ে তার দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানান। দোকান মালিক অভিযান পরিচালনা না করার জন্য অনুরোধ করলে তিনি তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরের নগদ অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার টাকা পাঠাতে বলেন। পরে হেদায়েত উল্লাহ ওই দিনই দুই হাজার টাকা পাঠান। পরে খোঁজ নিয়ে প্রতারণার বিষয়টি ধরা পড়লে বাজারের ব্যবসায়ীরা বিষয়টি ফেনী জেলা পুলিশকে জানান।ফেনী জেলা পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে প্রতারকের অবস্থান খুলনা মহানগরী এলাকায়। পরে শুক্রবার ভোরের দিকে প্রতারক সুমন সাহাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে তিনটি মোবাইলফোন ও দুটি সিম উদ্ধার করা হয়।

উপ-কমিশনার বি এম নুরুজ্জামান জানান, ফেনীর চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয়ে প্রতারণার ঘটনায় সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করা হয়েছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে সুমন সাহা জানায়, তিনি দীর্ঘ দিন ধরে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি), জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার পরিচয়ে ফোন করে টাকা হাতিয়ে নিতেন। প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ও সিম পরে ভেঙে ফেলতেন।