• ঢাকা
  • শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন

বেনাপোলের বিরিয়ানি হাউসগুলোতে সস্তা ও বাসি মাংস দিয়ে রান্না হচ্ছে বিরিয়ানি


প্রকাশের সময় : জুলাই ৮, ২০২২, ৯:৩৯ অপরাহ্ন / ৬৯
বেনাপোলের বিরিয়ানি হাউসগুলোতে সস্তা ও বাসি মাংস দিয়ে রান্না হচ্ছে বিরিয়ানি

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ বেনাপোলে বিরিয়ানী হাউসগুলোতে ছাট মাংশ ও বাঁশী মাংশ দিয়ে বিরিয়ানি রান্না করছে। বাসি মাংস দিয়ে রান্না করা বিরিয়ানি খেয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়ছেন অনেকে। এ ধরনের অভিযোগ ভুক্ত ভোগীদের।

বেনাপোল ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক কামরুল ইসলাম তেহারি খাওয়ার সময় দেখতে পান স্বাদহীন নরম সয়াবিন জাতীয় মাংশ। যা খেয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরের দিন খাদ্য এনে আল্লাহর দান বিরিয়ানী হাউসে অভিযোগ করলে হোটেল মালিক তর্ক শুরু করেন। পরে চাপের মুখে হোটেল মালিক বলেন গরুর মাথার কিছু মাংশ মেশানো হয়েছে। যা ছাট মাংশ এবং খাওয়ার অনুপযোগী বলে অভিযোগ করেন কামরুল ইসলাম। এ সব ব্যাপারে অভিযোগ করলেও আমলে নেয়না হোটেল মালিক আনিস ব্যাপারী।

তিনি বলেন, বেনাপোলের সকল বিরিয়ানির হোটেলে ছাট মাংশ মিশিয়ে বিরিয়ানী ও তেহেরী রান্না করা হয়। এক কেজি গরুর মাংশ ৭’শ টাকা। প্রতিদিন প্রত্যেক হোটেলে কয়েক মন করে মাংশ লাগে। তাতে বেশি একটা লাভ হয়না। এজন্য প্রতি কেজি মাংসে ২’শ টাকা বাঁচিয়ে কিছু মাথার মাংশ, জিহ্বা ও মাথার চামড়া ভেজাল দিতে হয়। আর এজন্য কসাইরা দায়ি বলে দাবি করেন এ হোটেল ব্যবসায়ী।

তবে স্থানীয়দের দাবী মৃত প্রায় গরু ছাগল জবাই করে কসাইরা কমে দামে হোটেলে মাংশ দেন । আর তাই দিয়ে রান্না হয় মুখরোচক বিরিয়ানি। হোটেল মালিক রাও দিনে দিনে ফুলে ফেপে উঠছেন ভেজাল মাংসের জোরে।

জানাগেছে, গরুর মাংশের বাজার মূল্য প্রতিকেজি ৭’শ টাকা এবং খাশির মাংশ প্রতিকেজি ৯’শ টাকা হলেও এখানকার বিরিয়ানী হাউসের মালিকরা আলোচনা স্বাপেক্ষে সস্তায় মাংশ কিনে থাকেন। গরুর মাংশ ৫’শ টাকা এবং ছাগলের মাংশ ৭’শ টাকা। যেকারণে পুঁজি ঠিক রেখে গরু ও ছাগলের ছাট মাংশ মাথা ও ভুড়ির কিছু অংশ মিলিয়ে তাদেরকে দেওয়া হয়। এছাড়া দিনের বিক্রি শেষে যে মাংশগুলো অবশিষ্ঠ থাকে তা তাদেরকে দেওয়া হয়। যা ফ্রিজে রেখে পরের দিন তেহেরী ও বিরিয়ানি রান্না করে বিক্রি করা হয়।