• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৫ Jun ২০২৪, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

বাসা ভাড়ার কথা বলে লুটের সময় খুন করা হয় সাংবাদিক আফতাবকে


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ২৬, ২০২৩, ৭:৩৪ অপরাহ্ন / ৬৪
বাসা ভাড়ার কথা বলে লুটের সময় খুন করা হয় সাংবাদিক আফতাবকে

মোঃ রাসেল সরকার,ঢাকাঃ একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রবীণ ফটোসাংবাদিক আফতাব আহমেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামি রাজু মুন্সিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ)।এটিইউ জানায়, বাসা ভাড়ার কথা বলে লুট করতে যায় দুষ্কৃতিকারীরা। এ সময় ফটোসাংবাদিক আফতাব আহমেদ চিৎকার করায় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়৷

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বারিধারায় এটিইউর নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান এটিইউ’র পুলিশ সুপার (ইন্টেলিজেন্স) এম এম হাসানুল জাহিদ।

তিনি বলেন, বুধবার (২৫ জানুয়ারি) দিনাজপুরের ফুলবাড়ি থানাধীন শালগ্রাম সীমান্ত এলাকা থেকে রাজুকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রবীণ ফটোসাংবাদিক আফতাব আহমেদ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত পলাতক আসামি। গ্রেফতার রাজু দীর্ঘ ৯ বছর বিভিন্ন ছদ্মবেশ দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। তিনি পরিবারের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করতেন না।

এটিইউর এই কর্মকর্তা বলেন, ফটোসাংবাদিক আফতাব আহমেদ পশ্চিম রামপুরা ওয়াপদা রোড এলাকায় নিজস্ব ফ্ল্যাটে থাকতেন। ২০১৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাতে তার ব্যক্তিগত গাড়ির ড্রাইভার হুমায়ুন কবিরের সহায়তায় বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে রাজুসহ বেশ কয়েকজন টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের জন্য প্রবেশ করে। এ সময় আফতাব আহমেদ চিৎকার করায় তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় রামপুরা থানায় দায়ের করা মামলায় একই বছর পাঁচজনকে গ্রেফতার করে র‍্যাব। গ্রেফতারের এক বছরের মাথায় রাজু মুন্সিসহ দুইজন জামিনে বের হয়ে আত্মগোপন চলে যায়। ২০১৭ সালে গ্রেফতার রাজুসহ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে সাত বছর কারাদণ্ড দেয় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪। ২০১৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর রামপুরার নিজ বাসা থেকে সাংবাদিক আফতাব আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা মামলায় ২০১৭ সালের ২৮ মার্চ পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক আবদুর রহমান সরদার।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচজন হলেন- বিলাল হোসেন কিসলু, হাবিব হাওলাদার, রাজু মুন্সি, রাসেল ও গাড়িচালক হুমায়ুন কবির মোল্লা। অপরজন সবুজ খানকে সাত বছর কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।