বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
আওয়ামী লীগের বহিষ্কাকৃত নেতা ও ৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর চিত্তরঞ্জন দাস ও মহিলা কাউন্সিলর নাসরিন আহমেদ এ-র আপত্তিকর চিত্র ফাঁস ১১ সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা বিভাগ সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে ‘হাওড় উৎসব’ অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে টুটুল চৌধুরীকে পুনরায় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় ইউনিয়নবাসী সংসদ সদস্য মনুর এক বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে সর্বস্তরের জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন  ডিইউজে’র সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুর রহমান জিহাদের পিতা মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী সরদারের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী আজ জেনে-শুনেই নেতিবাচক স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিলেন ইভ্যালির রাসেল এমপি মনুর হাতে মারধরের শিকার ডেমরা সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল লেখক ও স্ট্যাম্প ভেন্ডার কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক এবার পাওয়া গেল দেড় কোটির দুই অ্যাপার্টমেন্ট ভিখারির! পাক বিমান বাহিনীর জন্য চায়নার তৈরীকৃত ড্রোন এখন দু:স্বপ্ন

বাজারে তেল-ডাল-চিনির দাম বেড়েছে, কমেছে কাঁচামরিচের

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২০ আগস্ট, ২০২১
  • ৫৮ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ বাজারে তেল, ডাল ও চিনির দাম গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে প্রায় পাঁচ টাকা করে বেড়ে গেছে। এদিকে চালের দাম আগে থেকেই বাড়তি। প্রধান প্রধান এসব পণ্যের দাম বাড়ায় অস্বস্তিতে নিম্ন-মধ্য আয়ের মানুষ।

যদিও গত সপ্তাহে বাড়তি দামে বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচের দাম কমে এখন প্রতি কেজি ৮০ টাকায় নেমেছে। এছাড়া স্থিতিশীল রয়েছে কিছু সবজির দাম। আমদানি বাড়ায় মাছের দাম কিছুটা কম। শুক্রবার (২০ আগস্ট) রাজধানীর রামপুরা, খিলগাঁও, তালতলা ও মালিবাগ বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

এসব এলাকায় খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৩৮ থেকে ১৪০ টাকা। যা আগের সপ্তাহে ছিল ১৩৩ থেকে ১৩৫ টাকা। একই সঙ্গে বেড়েছে পাম তেলের দামও। ১১৮-১২০ টাকা কেজির পাম তেল এখন বিক্রি হচ্ছে ১২৩-১২৫ টাকায়।

একইভাবে চিনির দাম কেজিপ্রতি পাঁচ টাকা বেড়ে ৮০ টাকায় ঠেকেছে। আর গত সপ্তাহে ৯৫ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হওয়া মসুর ডাল এখন ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, তেল-চিনির আমদানির খরচ বেড়ে যাওয়ার অজুহাতে মিল মালিকরা দাম বাড়িয়েছেন। এই দামের লাগাম টানা দরকার। কারণ সামনের দিনগুলোতে দাম আরও বাড়তে পারে। অন্যদিকে মিল মালিকরা বলছেন, বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে। এদিকে চালের দামে লাগাম লাগেনি এখনও। খুচরা বাজারে মিনিকেট ৬২ থেকে ৬৫, আটাশ ৫০ থেকে ৫৫, স্বর্ণা ৪৭ থেকে ৫০ ও নাজিরশাইল ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

তালতলা বাজারের একরাম হোসেন বলেন, আমরা যারা নিম্ন-মধ্যবিত্ত, তারা প্রধান প্রধান খাদ্যপণ্যের দাম বাড়ায় খুবই কষ্টে আছি। এমনিতেই লকডাউন পরিস্থিতির পর হাতে টাকা-পয়সা নেই, এর মধ্যে বাজারে আসলো দামের খড়গ। বিশেষ করে চাল-তেলের দাম খুবই অস্বস্তিকর পর্যায়ে উঠেছে। তবে গত সপ্তাহে কাঁচামরিচে যে অস্বস্তি ছিল তাই এখন কেটে গেছে। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি দেশি কাঁচামরিচের খুচরা দাম ৮০ থেকে ৯০ টাকার মধ্যে।

রামপুরা বাজারের সবুজমিয়া জানান, বৃহস্পতিবার রাতে কারওয়ান বাজার থেকে পাইকারিতে কাঁচামরিচ দাম ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। এজন্য ভারতের কাঁচামরিচ খুব একটা এখন আর আমদানি হচ্ছে না।

এদিকে বাজারে অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। পেঁয়াজের কেজি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, আদার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা।

সরবরাহ বাড়ায় মালিবাগ বাজারে মাছের দাম আগের থেকে কিছুটা কম বলে জানান বিক্রেতা আবুল হোসেন। তিনি বলেন, অধিকাংশ মাছের দাম ২০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে কমেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 ajkerbd24.com
Design & Development By: Atozithost
Tuhin