বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
এক মাসে ৩টি সম্মাননা পেলেন সুলতানা রোজ নিপা নড়াইলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সর্ম্পক উন্নয়ন শীর্ষক সেমিনার ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নড়াইলে আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৪ সদস্য আটক, ৮টি মোটর সাইকেল উদ্ধার মধ্যনগরে ঈদের আমেজ হারিয়ে গেছে দুর্যোগের কবলে কাপড় দোকানে বেচাকেনায় মন্দা ক্রেতার উপস্থিতি কম গোপালগঞ্জের বোড়াশী ইউনিয়নে বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানের মধ্যে জমবে নির্বাচনী লড়াই আয় কমার ভয়ে মহাসড়কে বাইক বন্ধ করিয়েছেন বাস মালিকরা রাজধানী খিলগাঁওয়ে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ রাজধানী রমনায় হেরোইনসহ একজন গ্রেফতার ব্যবসায়িক হত্যার মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড রাজধানীর কমলাপুরে কালোবাজারের টিকিট বিক্রয়ের সময় ৫ জন আটক

বঙ্গবন্ধুর খুনির ঘনিষ্ঠ আতাউল্লাহ ১৪ দলের নেতার বিরুদ্ধে ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ৭৭ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক: ১৪ দলের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ গণ আজাদী লীগের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মোঃ সরওয়ার হোসাইন এর বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর খুনির ঘনিষ্ঠ আতাউল্লাহ খান ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। তিনি ১৪ দলের কেন্দ্রীয় নেতা সরওয়ার হোসাইনের বিরুদ্ধে তার ব্যক্তিগত অফিসের কর্মচারিকে প্রলোভন দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট, অশালীন, ভিত্তিহীন ও আপত্তিকর কল্পকাহিনি তৈরি করে মানহানির হীন উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক ও উচ্চপদস্থ ব্যক্তিবর্গের, কাছে এসব মিথ্যা বানোয়াট তথ্য প্রচার করে তাঁর সম্মানহানি করছেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। তারা সরওয়ার হোসাইনের সামাজিক মানমর্যাদা হানির জন্য পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্রের নীলনকশা করে আসছে।

একইসাথে আতাউল্লাহ খান সরওয়ারের অফিস কর্মচারীকে ব্যবহার করে তাকে গুম খুন হত্যা সহ দুই দিনের মধ্যে খোঁজেও পাওয়া যাবে না বলে হুমকি প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে ১৪ দলের অন্যতম শরিক বাংলাদেশ গণ আজাদী লীগের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মোঃ সরওয়ার হোসাইন বলেন, মো. আতাউল্লাহ খান বঙ্গবন্ধুর খুনির ঘনিষ্ঠ সহযোগী। বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে লিপ্ত থাকায় বাংলাদেশ গণ আজাদী লীগ তাকে মহাসচিব পদ থেকে বহিষ্কার করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় তিনি আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। আতাউল্লাহ ও তার সহযোগী দ্বারা আমাকে মেরেফেলা সহ সামাজিক মর্যাদা ও সম্মানহানির জন্য বিভিন্ন অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকার তথ্য প্রমান পাওয়া যায়। আতাউল্লাহ খানের ব্যাপারে জাতীয় দৈনিক কালের কন্ঠে ৪ অক্টোবর ২০১৯ প্রকাশিত সংবাদটি নিম্ন দেওয়া হলো।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী বিতর্কিত আতাউল্লাহঃ বিতর্কিত নেতা আতাউল্লাহ খান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারত সফরে যাওয়ায় কক্সবাজারে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, স্বাধীনতার চেতনাবিরোধী একজন ব্যক্তি কিভাবে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হওয়ার সুযোগ পেলেন! পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, আতাউল্লাহ খান কিভাবে ভারত সফরে গেলেন, তাঁরাও তা বুঝতে পারছেন না।

অনেকের ধারণা, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক দল আজাদী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়েছেন।

আতাউল্লাহ খান কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের বাসিন্দা। অভিযোগ আছে, বঙ্গবন্ধুর খুনি ডালিম ও ফারুক একসময় আতাউল্লাহ খানদের গ্রামের বাড়িতে আতিথেয়তা পেয়েছিলেন। তাঁর বাবা মহেশখালী ইউনিয়নের ঠাকুরতলা গ্রামের মৌলভী মকবুল আহমদ। আতাউল্লাহ খানসহ পাঁচ ভাই জামায়াত-শিবিরের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। তাঁরা একসময় ফ্রিডম পার্টিও করতেন। মৌলভী মকবুল আহমদ ছিলেন মুসলিম লীগের স্থানীয় নেতা। ১৯৭৮ সালে তিনি জামায়াতে যোগ দেন।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন গতকাল রাতে কালের কণ্ঠকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাবিরোধী পরিবারের এ রকম একজন সদস্য কিভাবে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হলেন, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশ সুপার আরো বলেন, ‘আতাউল্লাহ খান যে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়েছেন, সে বিষয়ে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কেউ কিছু জানতেন না। ’
আতাউল্লাহ খান ওরফে আতা খান সম্পর্কে পুলিশ খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, রাজধানীর লালবাগে একসময় তিনি ছাত্রশিবিরের নেতা ছিলেন। ১৯৯৬ সালে আতাউল্লাহ খানের ভাই শফিক উল্লাহ খান মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনে ফ্রিডম পার্টির সংসদ সদস্য প্রার্থী ছিলেন। ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরের বছর আতাউল্লাহ খান ও তাঁর ভাই শফিক উল্লাহ খানের আমন্ত্রণে তাঁদের গ্রামের বাড়িতে আসেন বঙ্গবন্ধুর খুনি মেজর ডালিম এবং কর্নেল ফারুক।

মহেশখালী থানার ওসি প্রভাষ চন্দ্র ধর জানান, ১৯৯৩ সালে মহেশখালী উপজেলা পরিষদ চত্বরে শিবিরের এক সভায় আতাউল্লাহ খান আওয়ামী লীগ এবং বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে আপত্তিকর বক্তব্য দিয়েছিলেন। এ ছাড়া পাঞ্জেরী শিল্পগোষ্ঠীর পরিবেশনায় আতাউল্লাহ খান রচিত একটি নাটিকায় মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও বীরাঙ্গণাদের নিয়ে কটূক্তি করা হয়।

মহেশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এত দিন শুনেছি স্বাধীনতাবিরোধী চক্র আমাদের দলে অনুপ্রবেশ করেছে। আর এখন দেখি জামায়াত-শিবিরের ক্যাডাররা খোদ বঙ্গবন্ধু কন্যার সফরসঙ্গী হিসেবেই অনুপ্রবেশ করার সুযোগ পেয়েছে। আমাদের আর বলার কী থাকে!’

মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আতাউল্লাহ খান জামায়াত-শিবিরের শিল্পগোষ্ঠী পাঞ্জেরীর কেন্দ্রীয় পরিচালক। তিনি প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগ, মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালান। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সেই আতাউল্লাহ খান রাতারাতি মুখোশ বদলে গায়ে মুজিব কোর্ট নিয়ে অতীতের কর্মকাণ্ড মুছে ফেলার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 ajkerbd24.com
Design & Development By: Atozithost
Tuhin