• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:৩৭ অপরাহ্ন

ফোনে ফোনে চলছে অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ১৯, ২০২৩, ২:৪৩ অপরাহ্ন / ৪২
ফোনে ফোনে চলছে অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসা

মোঃ রাসেল সরকার,ঢাকাঃ অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ গড়ে তুলে তুলে মুদ্রা বিনিময়ের অপরাধে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর গুলশানের জে এম সি এইচ প্রাইভেট লিমিটেড, মোহাম্মদপুরের টোকিও স্কয়ারের আলম অ্যান্ড ব্রাদার্স এবং উত্তরার আশকোনা মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের তৈমুর মানি এক্সচেঞ্জ এবং দুটি ফেরারি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় তারা।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, আবু তালহা ওরফে তাহারত ইসলাম তোহা, আছাদুল শেখ, হাছান মোল্যা, আব্দুল কুদ্দুস, হাসনাত এ চৌধুরী, শামসুল হুদা চৌধুরী ওরফে রিপন, সুমন মিয়া, তপন কুমার দাস, আব্দুল কুদ্দুস, কামরুজ্জামান রাসেল, মনিরুজ্জামান, নেওয়াজ বিশ্বাস, আবুল হাসনাত ও শাহজাহান সরকার। তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সিআইডি প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া।

তিনি জানান, দেশে বৈধ মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠান রয়েছে ২৩৫টি। এর বাইরে অনুমতি ছাড়াই অবৈধভাবে ব্যবসা করছে আরো এক হাজারের বেশি মানি এক্সচেঞ্জ। এর বাইরে আরো অসংখ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা ফোনের মাধ্যমে ঘুরে ঘুরে অবৈধভাবে বেচাকেনা করছে দেশি-বিদেশি মুদ্রা।

মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়েছে সবগুলোই বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকায় অবৈধ।

সিআইডি প্রধান বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রতিদিন গড়ে ৭০ থেকে ৭৫ লাখ টাকা সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা অবৈধভাবে ক্রয়-বিক্রয় করত। তাদের কার্যক্রম সম্পূর্ণ অবৈধ। আমাদের অভিযানের কারণে অনেক অবৈধ প্রতিষ্ঠান অফিস গুটিয়ে কাঁধে ব্যাগ নিয়ে ঘুরে ঘুরে ফোনে ফোনে যোগাযোগ করে ব্যবসা করছে। যার যেখানে যে পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা দরকার সেখানে তা পৌঁছে দিচ্ছে।

অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জ হুন্ডি ব্যবসা ও টাকা বা ডলার পাচার করেছে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, অল্প সময়ে অল্প পুঁজিতে বেশি আয়ের আশায় অবৈধ মানি এক্সচেঞ্জগুলো তৈরি হচ্ছে। অভিযানে অবৈধ পাঁচটি মানি এক্সচেঞ্জের মধ্যে তিনটির অফিস থাকলেও বাকি দুটি প্রতারণামূলক বা ফেরারি। তারা কাঁধে ব্যাগ নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে মানি এক্সচেঞ্জ করত।