• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪, ০৮:১৬ অপরাহ্ন

ফেনীর সোনাগাজীতে বিক্রিত জমিতে জোরপূর্বক দখলে থাকার চেষ্টা ও হয়রানির অভিযোগ


প্রকাশের সময় : মার্চ ৪, ২০২৩, ৭:৩০ অপরাহ্ন / ৬৩
ফেনীর সোনাগাজীতে বিক্রিত জমিতে জোরপূর্বক দখলে থাকার চেষ্টা ও হয়রানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফেনীঃ ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরসাহাভিকারী গ্রামে বিক্রি করা জমিতে জোর পূর্বক দখলে থাকার চেষ্টা ও জমির ক্রেতাকে নানা ভাবে হয়রানির অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, চরসাহাভিকারী গ্রামের মোঃ শফি উল্যাহ ছেলে ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ নাছির উদ্দিনের খরিদা চরসাহাভিকারী মৌজার ১৯৮৭ নং খতিয়ানের ৬৪০৭ দাগের ক্রয়কৃত ২৭ শতাংশ (বসতবাড়ি) সম্পত্তি একই গ্রামের মৃত আমিনউল্যার ছেলে শহীদুল ইসলাম (৩৫) প্রচলিত আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে জোরপূর্বক দখলে রাখার চেষ্টা চালায় ও ক্রয়কারীকে নানাভাবে হয়রানি ও হুমকি ধমকি দিতে থাকে।

নাছির উদ্দিন উক্ত সম্পত্তি মতিগঞ্জ সাবরেজ্রিস্টার অফিসে ১৩/১০/২০২১ ইং তারিখে দলিলদাতা বিবাদীর মাতা খাদিজা আক্তার শেপালী থেকে সাফ কবলা ৫২৫১ নং দলিলে ১৪.৫০ শতক ভূমি বটে। উক্ত দলিলে বিবাদী শহীদুল ইসলাম, তার মামা আনোয়ার হোসেন ও তার নানা তাজল হক সাক্ষী হিসেবে সাক্ষর করেন।

অপর দলিলে বিবাদীর মাতা খাতিজার দ্বিতীয় স্বামী মাহফুজ আলম হইতে ২/১১/২০২২ ইং তারিখে ১২.৫০ শতক ও ক্রয়কৃত জমির উপর স্থাপিত ১২শত বর্গফুট বিল্ডিং সহ ৬৫৭৬ নং সাফ কবলা মুলে নাছির উদ্দিন ক্রয় করেন।

আমিন উল্যাহ জীবিত থাকাকালীন তার স্ত্রী (বিবাদী শহীদুল ইসলামের মাতা) খাতিজা বেগম শেফালীকে ২৫/১০/২০১৭ইং তারিখে ৫৬৬১ নং হেবার ঘোষণা দলিলে ৩২শতক জমি হস্তান্তর করেন। খাদিজা বেগম শেফালী মালিক হইয়া নাছির উদ্দিনের নিকট ১৪.৫০ শতক বিক্রি করে বাদবাকি জমি ১৭.৫০ শতক ও তার উপর স্থাপিত বিল্ডিং ঘর সহ তার দ্বিতীয় স্বামী মাহফুজ আলমকে ২০২১ সালে ৫৭৩০ নং দলিলের মাধ্যমে হস্তান্তর করেন।

মাহফুজ স্ত্রীর কাছ থেকে প্রাপ্ত সম্পত্তির মালিক হয়ে উক্ত সম্পত্তির ১২.৫০ শতক ও বিল্ডিং ঘরটি সহ নাছির উদ্দিনের নিকট বিক্রয় করেন।

নাছির উদ্দিন দলিল সম্পাদনের পর ভুমির খাজনাদি পরিশোধ করিয়া অনলাইন জমাখারিজ খতিয়ান সৃজন করেন, উক্ত ভুমির দখলে গেলে বিবাদী শহীদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী রাশেদা আক্তার পাখি নাছির উদ্দিনকে গালমন্দ ও খুন জখম করার হুমকি ধমকি প্রদান করেন। এই বিষয়ে নাছির উদ্দিন বাদী হয়ে বিগত ২৪/০২/২০২৩ তারিখে সোনাগাজী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।

অভিযোগের আলোকে সোনাগাজী মডেল থানার ওসি, স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হয়ে বৈঠকের মাধ্যমে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে তাকে জমির দখল ছেড়ে দিতে বলেন। সে প্রচলিত আইনকানুনের তোয়াক্কা না করে নাছির উদ্দিনের ক্রয়কৃত জমি ও পাকা ঘরটি জবরদখলে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন।

বিবাদী শহীদুল ইসলাম বলেন, আমাকে নগদ ২০ লাখ টাকা অথবা ৫শতক জমি লিখে দিলে আমি ঝামেলা করবো না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন নাছির উদ্দিনের জমি ক্রয়ের সত্যতা ও শহীদুল ইসলাম কর্তৃক দখল চেষ্টার অভিযোগ স্বীকার করে জানান আমরা শহীদুল ইসলামকে আপোষে জমির দখল ছেড়ে দিতে বলেছি।

নাছির উদ্দিন তার বৈধ উপায়ে ক্রয়করা ২৭ শতক জমি ও পাকাঘরের দখল পেতে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।