• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:০০ পূর্বাহ্ন

প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ালেন ছাত্রদল নেতা


প্রকাশের সময় : অগাস্ট ৩০, ২০২১, ১২:১২ পূর্বাহ্ন / ৩৯৫
প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ালেন ছাত্রদল নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক,কক্সবাজারঃ এক সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রীকে টাকা ধার দেওয়ার কথা বলে আবাসিক হোটেলে তুলে কক্সবাজারের চকরিয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাটি ঘটিয়েছেন চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম ফরহাদ (৩০)।

সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রীর দেয়া অভিযোগ অনুযায়ী, ওই নেতা আগে থেকে হোটেল রুমে বসানো গোপন ক্যামেরায় নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও দেখিয়ে বেশ কয়েকবার ধর্ষণ করা হয় নির্যাতিতাকে। এরপর মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে প্রত্যাখ্যাত হন তৌহিদ। তখন তিনি নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। এরপর ভুক্তভোগীকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এমন অভিযোগ এনে চকরিয়া থানায় গত শুক্রবার রাতে এজাহার দিয়েছেন ভুক্তভোগী সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রী।

পুলিশ শনিবার সকালে ওই নারীর শ্বশুরবাড়ি ও আসামির বাড়ি পরিদর্শন করেছে। তবে পুলিশ এ সময় অভিযুক্ত তৌহিদকে খুঁজে পায়নি। বন্ধ ছিল তাঁর মুদি দোকানও।

এজাহারে লেখা হয় যে, ধর্ষণের প্রথম ঘটনা ঘটে গত ১৪ জুলাই দুপুর দেড়টার দিকে। ধর্ষণ ও ভিডিও চিত্র ধারণের ঘটনাটি ঘটে চকরিয়া পৌর শহরের বালিকা বিদ্যালয় সড়কের ওশান সিটি মার্কেটের আবাসিক হোটেল সিলভারের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে।

প্রবাসীর স্ত্রীর ভাষ্য, শ্বশুরবাড়ির কাছে হওয়ায় প্রতিনিয়ত তিনি তৌহিদের দোকান থেকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতেন। তৌহিদের কাছে জমি কেনার জন্য টাকার সংকটে পড়ায় তিনি ৫০ হাজার টাকা ধার চান । সেই টাকা দেওয়ার কথা বলে ভুক্তভোগীকে হোটেলে নিয়ে যান তৌহিদ। সেখানে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করে অভিযুক্ত।

চকরিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তদন্তকারী কর্মকর্তা গোলাম সারওয়ার বলেন, ‘ধর্ষণ, পর্নোগ্রাফি ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ধারায় থানায় দেওয়া অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অভিযুক্তকে ধরতে বাড়িতে অভিযান চালানো হয়েছে। এ সময় তার দোকানও বন্ধ ছিল। পলাতক থাকায় তাকে আটক করা যায়নি।

চকরিয়া থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের এ ব্যাপারে বলেন, ভিকটিমের লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর একজন অফিসারকে প্রাথমিক ভাবে তদন্ত করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।