• ঢাকা
  • শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রীকে করোনার ১ম ডোজ না দিয়ে দেয়া হয়েছে দ্বিতীয় ডোজ পিতা-মাতাকে ঝাড়ু পেটার হুমকী


প্রকাশের সময় : জানুয়ারী ২৫, ২০২৩, ৯:২১ অপরাহ্ন / ১০
পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রীকে করোনার ১ম ডোজ না দিয়ে দেয়া হয়েছে দ্বিতীয় ডোজ পিতা-মাতাকে ঝাড়ু পেটার হুমকী

নিজস্ব প্রতিবেদক,পিরোজপুরঃ পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রীকে প্রথম ডোজ না দিয়ে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর প্রতিবাদ জানানোর কারণে শিক্ষাথীর মা-বাবাকে ঝাড়ু পেটা করার হুমকি প্রধান শিক্ষক সহ তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গতকাল বুধবার শিক্ষার্থী ঐশ্বর্য দাসের মা মিতু বেপারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবরে ওই তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি বলেন গত মঙ্গলবার দুপুরে মেয়েকে নিয়ে বিদ্যালয়ের জান। এক পর্যায় শিক্ষিকা হাসিনা মমতাজ তার মেয়ে ঐশ্বর্য দাসকে ডেকে শ্রেনী কক্ষে নিয়ে যায়। এসময় শিক্ষার্থীর মা শিক্ষীকাকে বলেন তার মেয়ের ১ম ডোজের টিকা দেওয়া হয়নী তাতে তাকে হাসিনা মমতাজ রাগান্নিত হয়ে ধমক দিয়ে বলেন সেটা দেখা যাবে বলে স্বাস্থ্য কর্মীর মাধ্যমে ছাত্রীটিকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া হয়। এরপর মেয়েকে নিয়ে বাসায় গেলে ছাত্রীটি অসুস্থ্য হয়ে পড়ে।বিষয়টি মিতু বেপারী তার স্বামীকে (স্কুল শিক্ষক) জানালে তারা দুজনেই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে যান। এ সময় শিক্ষক হাসিনা মমতাজ ও সুজন সমদ্দার তেড়ে আসেন। এরপর বিভিন্ন প্রকারের গাল-মন্দ করেন প্রধান শিক্ষক সামসুল হক, হাসিনা মমতাজ ও সুজন সমদ্দার। এক পর্যায় সুজন সমদ্দার ঝাড়– পেটা করার উদ্ধত হয়। নিজেদের সম্মান বাঁচানোর জন্য শিক্ষার্থীর মা-বাবার দ্রæত বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। গতকাল ওই তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুল হক বলেন, তাদের সাথে তেমন কিছুই হয়নি। একটু ভুল বোজাবুজি হয়েছে। ঘটনার সময় আমি উপস্থিত ছিলাম।
বিদ্যালয়ের অনেক অভিভাবক অভিযোগ করে বলেন প্রধান শিক্ষক শামসুল নিজেকে স্থানীয় এক আওয়ামীলীগের আত্মীয় পরিচেয়ে দিবে ধাপটের সাথে একই বিদ্যালয়ে চাকুরি করে চলছেন বহুদিন ধরে।এজন্য তিনি এরকম আচরন করে থাকে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: ইলিয়াস বলেন, ওই অভিভাবক দম্পত্তি আমার আমার কাছে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ পেয়ে সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফ হোসেন চৌধুরী, গিয়াস উদ্দীন এবং মঞ্জুমোল্লা-কে নিয়ে তিন সদস্যর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্ম দিবসের মধ্য তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

স্বরূপকাঠি (নেছারাবাদ) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার বলেন, একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।