• ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন

পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘর লুটপাট এবং দখল করার পায়াতারার অভিযোগ


প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২, ২০২৪, ১:১৫ পূর্বাহ্ন / ১৬
পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘর লুটপাট এবং দখল করার পায়াতারার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালী বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড দক্ষিন মাধবপুর গ্রামের শত্রুতার জেরে বসতঘর দখলের পায়তারা ও ঘরের মালামাল লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে ইমরান মৃধা (৩০) ও তার লোকজন এর বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী মোসাঃ সালেহা বেগম, স্বামীঃ আবুল বশার মৃধা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, জমিতে গভীর করে মাটি কেটে নেয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারের রান্নাঘর ও চলাচলা করার রাস্তা ভেঙে পরেছে। এবিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের জাহিদুল মৃধা বাদী হয়ে বাউফল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। বিবাধীরা হলো, (১).ইমরান মৃধা(৩০), (২).ইফরান মৃধা (২৮), উভয় পিতাঃ ফোরকান মৃধা, (৩).শফিক মৃধা(৩০), (৪).শামীম মৃধা (৩৫), (৫).মোস্তফা মৃধা (৩৬), উভয়ের পিতাঃ শানু মৃধা এবং (৬).ফোরকান মৃধা (৫৮),পিতাঃ হাসেম মৃধা.

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত ০৬/০২/২৪ ইং তারিখ বেলা ৫.৩০ মিনিটের সময় ভেকু মেশিন দিয়ে জোর পুর্বক বসত ঘরের পাশে গভীর গর্ত করে মাটিকাটে এতে বসতঘর ও রান্না ঘরের একপাশের মাটি ভেঙে পরে যায়। এছাড়া চলাচলের সীমানা সহ মাটি কেটে বিক্রি করে। এসময় সালেহা বেগম বাঁধা দিতে গেলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে মারধরের ভয়ভীতিসহ খুন জখমের হুমকি দিয়ে বসতঘর দখল করার হুমকি প্রদর্শন করে। থানার অভিযোগে উল্লেখ করা হয় বিবাদীরা খুব খারাপ লোক তারা যে কোন মূহুর্তে বড় ধরনের ঘটনা এমনকি খুন খারাপি ঘটাতে পারে। অভিযোগের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে মাটি কাটতে নিষেধ করে যায়। কিন্তুু অভিযুক্ত ইমরান মৃধা নিষেধ অমান্য করে ভেকু মেশিন দিয়ে মাটিকাটা অব্যাহত রেখেছেন।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ছালেহা বেগম বলেন, পুর্ব শত্রুতার জের ধরে আল-আমিন হত্যা মামলায় তার দুই ছেলেকে আসামি করা হয়েছে। এখন তারা বাড়িঘরে থাকতে পারছেন না এই সুযোগে বসতঘর লুটপাট ও দখল করার পায়তারা করছে ইমরান ও তার সাথের লোকজন। এই হয়রানি থেকে মুক্তি পেতে আইনগত ব্যবস্থা পেতে চান ।

এদিকে শহিদুল ইসলাম বলেন, আল-আমিন হত্যা মামলাকে কেন্দ্র করে ইমরান ব্যাবসা করছে। ঘটনার দিন আমি বাজারে ছিলাম। ঘটনার আগে নিহত আল-আমিনের চাচা আব্দুল মোতালেব মৃধা আমাকে ফোন করে ডাকেন এর কিছুক্ষন পরে তারা চাচার ছুরির আঘাতে আল-আমিন নিহত হয়। কিন্তুু ইমরান ফায়দা লুটতে ঐ হত্যা মামলায় আমাকে ২ নাম্বার ও আমার ছোট ভাই জাহিদুলকে ৪ নাম্বার আসামি করে। আল-আমিন হত্যার ঘটনায় ১ নাম্বার আসামি নিজে আদালতে জবানবন্দি দেন সেখানে আমাদের কথা বলেন আত্মরক্ষার জন্য ফোন করেছিলেন কিন্তুু ঘটনার আগে সেখানে আমরা ছিলাম না ঘটনার পরে সেখানে গিয়েছি। মামলাটি বর্তমানে চলমান রয়েছে ।এই সুযোগে আমাদের বসতঘর দখল করার পায়তারা করছে ইমরান মৃধা ও তার লোকজন। এর আগে খলি ঘর পেয়ে সব কিছু লুটপাট করে নিয়ে যায়। আমরা এই হয়রানি থেকে রেহাই পেয়ে বাঁচতে চাই।

অভিযুক্ত ইমরান মৃধা বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা, তাদের ওখানে জায়গা নেই। একসময় থাকতে দেয়া হয়েছে এখন দখল করে থাকছে। ওরা বল-আমিন হত্যার পরিকল্পনাকারী এলাকায় মাদকের সঙ্গে যুক্ত। আমার জমিতে আমি মাটি কেটেছি এতে তাদের সমস্যা কি? ওখানে তাদের জমি নেই বলে জানান।