শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ১১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
জয়পুরহাটে পুলিশের ‘ওপেন হাউজ ডে’ অনুষ্ঠিত শর্ত ভেঙ্গে আগেই বসেছে পশুর হাট, নগরে ভোগান্তি রাজধানীতে সাংবাদিককে গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ মধ্যনগরে শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানের খাবার তুলে দিল বানভাসি মানুষের হাতে গোপালগঞ্জে চাঞ্চল্যকর ক্ষমা বিশ্বাস হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড গ্লোবাল টেলিভিশনে শুভ যাত্রা উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে কেক কাটা ও দোয়া মাহফিল শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টায় ইউনূস সেন্টার——তথ্যমন্ত্রী মোহনপুরে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের “বিধি ও প্রবিধিমালার প্রয়োগ” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত রাসিকের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচিতে শহীদ কামারুজ্জামানের জন্মবার্ষিকী উদযাপন পদ্মা সেতুর অবকাঠামো ক্ষতিসাধনের লক্ষ্যে ভিডিও ধারণকারী মাহদি হাসানকে গ্রেফতার

নড়াইলের কালিয়ায় দূর্নীতির আখড়া উপজেলা নির্বাচন অফিস

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৬ জুন, ২০২২
  • ৫০ Time View

মোঃ হাচিবুর রহমান, নড়াইলঃ নড়াইলের কালিয়া উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিশ্বাস সুজন কুমার ও তার অফিসের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে ঘুষ, দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, ভোটার স্থানান্তর ও ভোটার তালিকায় নাম লেখানোসহ অফিসটিতে টাকা ছাড়া কাজ হয় না বলে সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ রয়েছে। সব মিলিয়ে অফিসটি এখন ঘুষ ও দূর্নীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে।

উপজেলার কলাবাড়িয়া গ্রামের জুবায়ের হোসেন অভিযোগ করে বলেছেন, নতুন ভোটার হতে তিনি গত ২৪ মার্চ সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন। উপজেলা নির্বাচন অফিসে তিনি ৮০০ টাকা ঘুষও দিয়েছেন। কিন্তু গত প্রায় ২৫ দিনেও তিনি ভোটার তালিকায় নাম লেখাতে পারেননি। একই গ্রামের মোঃ রাসেল শেখ অভিযোগ করে বলেছেন, তিনি তার মা’সহ চাচাতো ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীর ভোটার স্থানান্তরের জন্য অনলাইনে আবেদন করার পর গত ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর নির্বাচন অফিসে কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। কিন্তু গত দেড় বছরেও তাদের ভোটার স্থানান্তরিত হয়নি। অথচ তাদের পরে আবেদন করে অনেকেই অফিসে যোগাযোগ করে ভোটার স্থানান্তর করে নিয়েছেন বলে তার অভিযোগ। তার ভাষায় যারা টাকা ঘুষ দেয় তাদের কাজ হয়, যারা ঘুষ দেয়না তাদের কাজ আর হয়না। বাবরা গ্রামের শেখ ফরিদ আহম্মেদ অভিযোগ করে বলেছেন, জাতীয় পরিয়য় পত্রের তার স্ত্রী নামের ভূল সংশোধনের আবেদন করে তিনি গত ৫ মাস ধরে ওই কর্মকর্তার কাছে ঘোরার পর সম্প্রতি ১ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হয়েছেন। তবু তাকে দিনের পর দিন ঘুরানো হচ্ছে।
এছাড়া ওই অফিসের অফিস সহকারী মির্জা মোহাম্মাদ আলীর প্রতারনা ও জালিয়াতির একটি ভিডিও সোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যেখানে অসংখ্য ভুক্তভোগী তার দ্বারা প্রতারীত হওয়ার বিষয়ে মুখ খুলছেন।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিশ্বাস সুজন কুমার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ওইসব কাজ তিনি করেন না। অফিসের কর্মচারিরা কাজ গুলো করে থাকে। কে কিভাবে টাকা নেয় তা তিনি জানেন না। ঘুষের দেন দরবার নিয়ে তার অডিও ফাঁস হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোন জবাব দেননি। তবে অর্থ বানিজ্যের বিষয়ে তিনি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 ajkerbd24.com
Design & Development By: Atozithost
Tuhin